শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
‘পুলিশের লোকের ধাওয়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দেয় তাহসিফ, আমি পালিয়ে আসি’ এক এনআইডিতে মিলবে ৫ রিকশার নিবন্ধন, আবেদন করবেন যেভাবে ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে না নেতানিয়াহুর জন্য বড় ধাক্কা, জোট ছাড়ার ঘোষণা কট্টরপন্থি ইহুদি দলের এলডিসি উত্তরণে আরও ৩ বছর সময় পেল বাংলাদেশ ৪ দিনের জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সাড়ে চার বছর পর জ্যেষ্ঠতাসহ দুদকের চাকরি ফিরে পাচ্ছেন সেই শরীফ দুই ভাইয়ের চালচলনে গ্রামবাসীর সন্দেহ, বাড়ির মেঝের নিচে মিলল কোটি-কোটি টাকা তুলে নেওয়া হলো তাহসিফ সৌরির ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপকে, মৃত্যুর ঘটনায় নতুন মোড়? স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৯, চলছে উদ্ধার অভিযান

‘নারী ফুটবলারদের পাতে কখনোই পাঙ্গাস দেই না’

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫

বাফুফের ক্যাম্পে নারী ফুটবলার কি খাওয়ানো হয়? একজন ফুটবলারের প্রয়োজনীয় পুষ্টি কি থাকে সেই খাবারে? এ নিয়ে মাঝেমধ্যেই নানা মন্তব্য দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অনেকে আবার অভিযোগ করেন মেয়েদের পাঙ্গাস মাছ খাওয়ানো হয়।

এ প্রসঙ্গে সোমবার বিকেলে কথা বলেছেন বাফুফের সদস্য ও নারী উইংয়ের চেয়ারপার্সন মাহফুজা আক্তার কিরণ। দুটি এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে তোলা মেয়েদের থাকা-খাওয়া, ট্রেনিংসহ নানা সুযোগ-সুবিধা প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এক পর্যায়ে কিরণ বলেন, ‘অনেকেই বলেন, আমরা নাকি মেয়েদের পাঙ্গাস মাছ খাওয়াই। তবে পরিস্কার বলছি, মেয়েদের পাতে কখনো পাঙ্গাস দেই না।’

মেয়েদের কি ধরণের খাবার দেওয়া হয়? নারী ফুটবলারদের কি পুষ্টিহীনতা আছে? জবাবে কিরণ বলেছেন, ‘পুষ্টিহীনতার কথায় আমি একমত না। বাফুফের ডরমেটরিতে যে খাবার দেওয়া হয়, তা পুষ্টিবিদ দিয়ে ডায়েট চার্ট করা। অনেকেই বলেন আমরা এখানে পাঙ্গাশ মাছ খাওয়াই। একদিনও পাঙ্গাস মাছ খাওয়ানো হয় না। বেশিরভাগ সময় রুই মাছ থাকে। থাকে মুরগি, গরু, খাসি ও ডিম। মেয়েরা খেতে চাইলে ইলিশ ও পাবদা দেওয়া হয়। ক্যাম্পে তো এমন খাবারই দেওয়া হয়। কেন মিথ্যা প্রচার করা হয়?’

কিরণের যুক্তি, ‘মেয়েরা যদি ঠিকমত খেতেই না পারেন তাহলে তো আর শক্তি থাকবে না। ৯০ মিনিট খেলতেই পারবে না। ওরা তো ৯০ মিনিট একই ছন্দে খেলে থাকে। না খেয়ে কি খেলে? পাঙ্গাস মাছ খেয়ে কি খেলে? না, তাদের পুষ্টি আমরা নিশ্চিত করি। তবে এটা ঠিক, ছোটবেলা থেকে তাদের যে অভ্যাস সেটা তো আমরা কাটাতে পারব না।’

লাওস গিয়ে খাবার সমস্যায় পড়েছিলেন নারী ফুটবলাররা। এ প্রসঙ্গে কিরণ বলেছেন, ‘একেক দেশের খাবার একেক রকম। লাওসের খাবার তো আমাদের মেয়েরা খেতে পারে না। বাঙালি খাবার খেতে না পারার কারণে তারা দুর্বল হয়ে পড়ছিল। এজন্য আমি বাঙালি রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার খাওয়ানোর কথা বলেছিলাম। পিটার বাটলারের তো সমস্যা হয়নি। তার তো সেদ্ধ খাবার ভালো লাগবেই। এটা নিয়ে দ্বিধায় থাকার কিছু নেই।’

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD