মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সৌদি আরবের আপত্তিতে সুদানের কাছে পাকিস্তানের সমরাস্ত্র বিক্রি স্থগিত মার্কিন নৌ-অবরোধ সরাতে পাকিস্তানের দৌড়ঝাঁপ, আলোচনায় বসার ইঙ্গিত ইরানের যে সিনেমা দিয়ে সালমানকেও পারিশ্রমিকে ছাড়িয়ে যান মাধুরী সিলেট থেকে ঢাকা এলেও জায়গা হয়নি মোসাদ্দেকের, খেলবেন বিসিএল উল্টো ‘রথে’ বাফুফে সভা পাকিস্তানে পৌঁছালো অন্তত ৬টি মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজ বলপ্রয়োগের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান, হুঁশিয়ারি পেজেশকিয়ানের ট্রাম্প বললেন ভ্যান্স পাকিস্তানের পথে, সূত্র বলছে তিনি যুক্তরাষ্ট্রেই ১১ দলীয় ঐক্যের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ জামায়াতে ইসলামী তার প্রতিশ্রুতি রেখেছে : হামিদুর রহমান আযাদ

সাগরে ভাসছে চট্টগ্রাম বন্দরের জ্বালানিবাহী ১৪ জাহাজ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
সাগরে ভাসছে চট্টগ্রাম বন্দরের জ্বালানিবাহী ১৪ জাহাজ

বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের অস্থিরতার মধ্যেও দেশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছে এবং আগমনের পথে রয়েছে মোট ১৪টি জ্বালানিবাহী জাহাজ। বিপুল পরিমাণ জ্বালানি নিয়ে জাহাজগুলোর ধারাবাহিক এই আগমনের ফলে বন্দরে কোনো জট নেই এবং দেশের সাপ্লাই চেইন সুশৃঙ্খল রয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কনফারেন্স রুমে এক সমন্বয় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও বাংকারিং বিষয়ে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান।

সভায় জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে আগত জাহাজগুলোর জ্বালানি সরবরাহের প্রধান উৎস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া হওয়ায় বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব এখানে তুলনামূলক কম।

বন্দরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কাতার, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা ৫টি এলএনজি ও ২টি এলপিজি বহনকারী জাহাজসহ মোট ১৪টি জাহাজ বর্তমানে বহির্নোঙরে ও পথে রয়েছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলবাহী জাহাজও নিয়মিত আসছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোর দ্রুত বার্থিং নিশ্চিত করার কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। সভায় অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা জানান, দেশের বর্তমান জ্বালানি মজুত সন্তোষজনক এবং চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করার পূর্ণ সক্ষমতা রয়েছে। বিশেষ করে নৌ-বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের চাহিদা পূরণে কোনো সংকট নেই।

সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিপিসি, নৌপরিবহন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। সভায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে চাহিদা সমন্বিতভাবে নিরূপণ এবং জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বন্দর কর্তৃপক্ষ আরও নিশ্চিত করেছে যে, বন্দরের সার্বিক অপারেশনাল কার্যক্রম ও লজিস্টিক সাপোর্ট পূর্বের মতোই নিরবচ্ছিন্ন রয়েছে। বহির্নোঙরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD