বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মমতা হারেননি, তাকে হারানো হয়েছে: অখিলেশ পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে জয়ী ৪২ মুসলিম প্রার্থী, একজনও নেই বিজেপির তুরস্কের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যা জানা গেলো ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা কালকের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের আশা থালাপতি বিজয়ের দলের তরমুজে ইঁদুর মারার বিষেই মৃত্যু একই পরিবারের সেই ৪ জনের সৌদির পাশাপাশি কুয়েতও যুক্তরাষ্ট্রকে দেয়নি ঘাঁটি-আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা, মমতা অধ্যায়ের অবসান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের মন্তব্যের জবাবে যা বলল ভারত থালাপতি বিজয় সরকার গঠন করতে না পারলে কী হবে?

থালাপতি বিজয় সরকার গঠন করতে না পারলে কী হবে?

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
থালাপতি বিজয় সরকার গঠন করতে না পারলে কী হবে?

ভারতের তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে একক দল হিসেবে সর্বোচ্চ আসন পেয়েও সরকার গঠন করতে পারছেন না থালাপতি বিজয়। গত ৪ মে ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, থালাপতির দল টিভিকে একাই ১০৮টি আসন পেয়েছে। সেখানে সরকার গঠনে প্রয়োজন ১১৮টি আসন।

তাকে এখন পর্যন্ত সমর্থন জানিয়েছে কংগ্রেস। এতে করে তার মোট আসনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১২টি। সরকার গঠনে বিজয়ের দরকার আরও ছয় বিধায়কের সমর্থন।

এমন অবস্থাতেই আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) চেন্নাইয়ে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন থালাপতি। এরআগে গতকালও সরকার গঠনের জন্য রাজ্যপালের কাছে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দুদিনই তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমস জানিয়েছে, আগামী ১০ মে এর মধ্যে যদি থালাপতি বিজয় তার সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে না পারেন এবং ওইদিনের মধ্যে সরকার গঠন করতে না পারেন তাহলে গুরুতর রাজনৈতিক সংকট তৈরি হবে।

তখন তামিলনাড়ুতে ঝুলন্ত বিধানসভার সৃষ্টি হবে। অর্থাৎ বিধানসভা অকার্যকর হয়ে পড়বে। যেহেতু ১০ তারিখে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে তখন রাজ্যপালের সামনে খুব বেশি কিছু করার থাকবে না।

প্রথমত তিনি থালাপতি বিজয়ের টিভিকে-কে বাদ দিয়ে অন্য আরেকটি দলকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। এক্ষেত্রে ওই দলকেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে হবে।

এটি না হলে তিনি রাষ্ট্রপতি শাসন জারির আহ্বান জানাতে পারেন অথবা তিনি সম্পূর্ণ নতুন নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দিতে পারেন।

এদিকে বিজয় থালাপতিকে যেন সমর্থন দিতে না পারে সেজন্য সেখানকার অন্যতম বড় দল এআইএডিএমকে তাদের সব নির্বাচিত বিধায়ককে একটি রিসোর্টে নিয়ে গেছে। এর উদ্দেশ্য হলো কোনো বিধায়ক যেন দলছুট না হয়ে বিজয়ের দলকে সমর্থন না দেন।

সূত্র: ইকোনোমিক টাইমস

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD