ইরানকে অস্ত্র উৎপাদনে সহায়তার অভিযোগে ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় চীন, হংকং, দুবাই ও বেলারুশভিত্তিক কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।
মার্কিন অর্থ বিভাগের অভিযোগ, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানের জন্য শাহেদ ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল ও প্রযুক্তি সংগ্রহে সহায়তা করেছে।
শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ জানায়, ইরান যেন তাদের সামরিক শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে না পারে, সেজন্য তারা অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখবে।
ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ এমন সময়ে এলো, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর সামনে এবং একই সঙ্গে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও স্থবির অবস্থায় রয়েছে।
মার্কিন প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে, শুধু বর্তমান নিষেধাজ্ঞাই নয়, ভবিষ্যতে আরও কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথও খোলা রাখা হয়েছে।
অর্থ বিভাগ আরও জানিয়েছে, ইরানের অবৈধ বাণিজ্যে সহায়তাকারী যেকোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা আর্থিক সংস্থার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এর মধ্যে ব্যক্তি মালিকানাধীন তেল শোধনাগার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে চীনভিত্তিক ইউশিতা সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কোম্পানি, দুবাইভিত্তিক এলিট এনার্জি, হংকংভিত্তিক এইচকে হেসিন ইন্ডাস্ট্রি কোম্পানি, বেলারুশভিত্তিক আর্মারি অ্যালায়েন্স এবং ইরানভিত্তিক পিশগাম ইলেকট্রনিক সাফেহ।
এদিকে ব্রিটিশ অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর ইনফরমেশন রেজিলিয়েন্স জানিয়েছে, ইরান বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় ড্রোন উৎপাদনকারী দেশ এবং প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার ড্রোন তৈরির সক্ষমতা তাদের রয়েছে।