মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নেপাল-চীন সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধস: মৃত ছাড়াল ১ হাজার, নিখোঁজ ৪৪৬২ জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উৎসবের আমেজ ইইউতে যোগদানের আলোচনা প্রত্যাখ্যান, নিরাপত্তায় নতুন পথ খুঁজছে আইসল্যান্ড রাশিয়া থেকে আরও পাঁচটি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪২ পালটা-পালটি হামলার পর এবার ইরানকে আরও কঠোর হুমকি দিলেন ট্রাম্প জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

নিষেধাজ্ঞায় কি নত হবে ইরান, ট্রাম্পের সামনে বড় প্রশ্ন

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক যুদ্ধের’ হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তার নতুন নিষেধাজ্ঞা তেহরানকে বাস্তবে কতটা চাপে ফেলতে পারবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও অব দ্য রেকর্ড স্ট্র্যাটেজিসের প্রেসিডেন্ট মার্ক ফাইফল মনে করেন, ইরানের ওপর কার্যকর চাপ তৈরি করতে হলে শুধু একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেই হবে না। প্রয়োজন সরকারের সব পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগ।

ওয়াশিংটন থেকে আল-জাজিরাকে দেওয়া এক বিশ্লেষণে ফাইফল বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি প্রকাশ করা দিয়ে ইরানকে নত করা কঠিন। প্রকৃত চাপ তৈরি করতে হলে পুরো মার্কিন সরকারকে একটি সমন্বিত কৌশল নিয়ে কাজ করতে হবে।

ফাইফলের মতে, ইরানকে চাপে ফেলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশটির পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতা। অর্থনৈতিক চাপ যতই দেওয়া হোক, ইরান যদি তার ইউরেনিয়াম ধরে রাখতে পারে, তাহলে নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে।

একইভাবে ইরান যদি ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যেতে পারে এবং আঞ্চলিক প্রক্সিদের অর্থায়ন অব্যাহত রাখতে পারে, তাহলেও শুধু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।

ফাইফল সতর্ক করে বলেন, ইরানের অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করাই যথেষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রকে এমন একটি সমন্বিত নীতি নিতে হবে, যা একই সঙ্গে ইরানের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, ইউরেনিয়াম মজুত, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও প্রক্সিদের অর্থায়নকে লক্ষ্য করবে।

তার বক্তব্যে মূল বিষয়টি স্পষ্ট—নিষেধাজ্ঞা আরোপের সংখ্যা নয়, বরং সেগুলো কতটা সমন্বিতভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর ‘পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ চালানোর কথা বলছে। কিন্তু সেই হুমকি বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে ওয়াশিংটন কতটা পরিকল্পিত ও সমন্বিতভাবে চাপ প্রয়োগ করতে পারে তার ওপর।

ফাইফলের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান যদি ইউরেনিয়াম ধরে রাখে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও আঞ্চলিক প্রক্সিদের অর্থায়ন চালিয়ে যেতে পারে, তাহলে শুধু নিষেধাজ্ঞা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হুমকি খুব বেশি কাজে আসবে না। অর্থাৎ, ট্রাম্পের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা, নাকি সেই চাপকে এমন পর্যায়ে নেওয়া, যাতে তেহরানের পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতাতেও বাস্তব প্রভাব পড়ে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD