রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন

আবারও নেপালে ভয়াবহ বন্যা!

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

বুধি গণ্ডকী নদীর বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এ পর্যন্ত যা জানা গেছে, বন্যায় গোর্খার চুমনুব্রি ও ধারচে গ্রামীণ পৌরসভার ঘরবাড়ি ও সেতু ভেসে গেছে এবং একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণস্থলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও অস্পষ্ট।

রবিবার ভোরে গোর্খার বুধি গণ্ডকী নদীতে আকস্মিক বন্যার ফলে চুমনুব্রি ও ধারচে গ্রামীণ পৌরসভার বসতি, সেতু ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্যার তোড়ে ঘরবাড়ি, দুটি ঝুলন্ত পথচারী সেতু এবং যানবাহন চলাচলের উপযোগী একটি লোহার সেতু ভেসে গেছে; এছাড়া বেশ কয়েকটি বসতির বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে এবং অন্যান্য বাড়ি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ ক্যাম্প ও কিছু যন্ত্রপাতিও ভেসে গেছে।

প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, চুমনুব্রি গ্রামীণ পৌরসভা-৬-এর লোকপা ও চুমলিংয়ের মধ্যবর্তী স্থানে সিয়ার নদীতে ভূমিধসের ফলে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে এই বন্যার সৃষ্টি হতে পারে। আরেকটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে চুমচেতের উঙ্গিলুং নদীর কাছে ভূমিধসের ফলে নদীর প্রবাহ আটকে যাওয়া। সঠিক কারণটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং কর্তৃপক্ষ ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

ভোর ৪টার দিকে উগিউলুং ও সিয়ার নদী থেকে তীব্র শব্দ শোনার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে সরে যেতে শুরু করেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নদীর পানির স্তর ওঠানামা করছিল।

গোর্খার চিফ ডিস্ট্রিক্ট অফিসার (জেলা প্রশাসক) ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র জানিয়েছেন, কর্তৃপক্ষ চুমনুব্রির সিরদিবাসের ওপরের অংশে ভূমিধসের প্রাথমিক খবর পেয়েছে। তিনি জানান, নদীর তীরবর্তী জনপদ ‘জগত’-এ পাঁচ থেকে সাতটি বাড়ি ভেসে গেছে। তবে হতাহতের কোনো খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চুমনুব্রি গ্রামীণ পৌরসভার ভাইস-চেয়ার লক্ষ্মী গুরুং জানিয়েছেন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাট্টিখোলা এলাকার বাড়িঘরও ভেসে গেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য সতর্ক করতে লাউডস্পিকার ব্যবহার করছিল।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD