ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে এক গভীর সংকটে বা ফাঁদে পা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির বিশিষ্ট ডেমোক্র্যাট নেতা ও সিনেটর আবদুল এল-সায়েদ। তাঁর মতে, এ ধরনের একটি সংঘাতে জড়ানো মার্কিন প্রশাসনের উচিত হয়নি এবং এর মাধ্যমে ওয়াশিংটন বড় ধরনের ভুল করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি শীর্ষস্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। এ সময় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ওপর ইসরায়েলের অতিরিক্ত প্রভাব নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তোলেন এই ডেমোক্র্যাট নেতা। একই সঙ্গে, ইসরায়েলি সরকারকে দেওয়া মার্কিন সামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আরও কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
সাক্ষাৎকারে ইরান সংঘাত প্রসঙ্গে এল-সায়েদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে এমন এক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে, যা তাদের জন্য একটি সুপরিকল্পিত ফাঁদ বৈকি কিছু নয়। অতীতে মার্কিন প্রেসিডেন্টরা যেকোনো মূল্যে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানো থেকে সচেতনভাবে বিরত থাকতেন। ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের সেই কূটনৈতিক সতর্কতা ও কৌশলগত ধৈর্যকে উপেক্ষা করে বর্তমান প্রশাসন ভুল পথে এগোচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মার্কিন এই আইনপ্রণেতা আরও দাবি করেন, বিদেশি এক প্রধানমন্ত্রী হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বসে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে প্রকারান্তরে বাধ্য করেছেন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরেই ওই বিদেশি প্রধানমন্ত্রী মার্কিন প্রশাসনকে ইরানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংঘাতে নামানোর চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন আবদুল এল-সায়েদ।
সূত্র: রয়টার্স।