বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র না নিয়েই কাশিয়ানীতে চলছে ১৩টি অবৈধ ‘স’ মিল। ফলে নিধন হচ্ছে গাছপালা, নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। সরকার বিপুলপরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বন বিভাগের কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে এসব ‘স’ মিলের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
কাশিয়ানী উপজেলা বন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কাশিয়ানী উপজেলায় ২১টি ‘স’ মিল রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৮টি ‘স’ মিলের লাইসেন্স রয়েছে। তা-ও আবার অনেকে নবায়ন করেনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হাট-বাজার, সড়কের পাশে ও জনবসতি এলাকায় সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে ‘স’ মিল। দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে এসব ‘স’ মিলের কার্যক্রম চললেও ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উপজেলার ভাটিয়াপাড়া বাজারের মেসার্স শরীফ টিম্বার অ্যান্ড ‘স’ মিলের মালিক মামুন শরীফ লাইসেন্স ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মিল পরিচালনা করে আসছেন। এ ব্যাপারে আইনুল হক শরীফ নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি ফরিদপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। ‘স’ মিল মালিক মামুন শরীফ লাইসেন্স ছাড়া মিল চালানোর কথা স্বীকার করে বলেন, মিলের লাইসেন্স করার জন্য জেলা বন অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছি। করোনার কারণে লাইসেন্স পেতে দেরি হচ্ছে।
কাশিয়ানী উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, লাইসেন্স করার জন্য আমাদের কাছে কেউ আসে না। লাইসেন্স করার জন্য আমরা বিভিন্ন সময় ‘স’ মিল মালিকদের বলেছি এবং চাপ সৃষ্টি করেছি। তবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
লাইটনিউজ