শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গভীর ও জটিল সংকটে বিশ্ব, মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুনের ঘটনায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আটক বাঁচাতে ড্রোন অপারেটর নিচ্ছে রাশিয়া, বেতন দেড় লাখ রুবল চট্টগ্রামকে প্রধান লজিস্টিক হাব গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে অস্ত্রসহ কেএনএফ সদস্য আটক জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি জুলাই শহীদের জননীর কান্নায় আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিশোধ নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে শহীদ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা চলাকালে ট্রাম্পের কটাক্ষ

মাইন্ড এইড হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চলত টর্চারসেল

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার : চিকিৎসা দেয়ার নামে টর্চার সেল গড়ে তোলে রাজধানীর আদাবর এলাকার মাইন্ড এইড হাসপাতাল। অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে রোগীকে জিম্মি করে স্বজনদের কাছ থেকে আদায় করা হতো অতিরিক্ত অর্থ। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই রোগের চিকিৎসার জন্য টর্চার করে নয়, বরং ভালো ব্যবহার দিয়ে রোগীকে সুস্থ করে তুলতে হবে।

মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন এবং মানসিক রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেয়ার জন্য গড়ে তোলা হয় মাইন্ড এইড হাসপাতাল। কিন্তু চিকিৎসা দেয়ার নামে সেখানে তৈরি করা হয় টর্চার সেল।
হাসপাতালটির নিচ তলার পূর্ব পাশে একটি সাউন্ড প্রুফ রুম বানানো হয়। যেটির দেয়ালের ভেতরের অংশ ফোম দিয়ে মোড়ানো।

হাসপাতালের বাবুর্চি জানান, হাসপাতালে যেসব রোগী আসতেন তাদেরকে প্রথমে এই রুমটাতে নিয়ে আসা হতো এবং বেশি উত্তেজিত রোগীদেরকে এখানে এনে মারধর করা হতো।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, মানসিক রোগীদের শাস্তির পরিবর্তে ভালোবাসা দিয়ে সুস্থ করে তুলতে হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগ সম্মানিত প্রফেসর ডা. আজিজুর রহমান বলেন, মানসিক রোগীর চিকিৎসার জন্য টর্চার সেল বা সাউন্ড প্রুফ রুমের কোনও দরকার নেই। রোগীর চিকিৎসার জন্য শুধু তার সঙ্গে ভালো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেয়ার জন্য এমন সেল তৈরি করে রোগীদেরকে জিম্মি করা হতে পারে বলেও মনে করেন এই মনোবিজ্ঞানী।

গেল সোমবার মানসিক রোগের চিকিৎসার জন্য পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুল করিম শিপনকে রাজধানীর আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি প্রক্রিয়া চলার মধ্যে হাসপাতালের কর্মীরা তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যান একটি কক্ষে।

সিসিটিভি ফুটেজে সেখানে আনিসুলক করিমকে শারীরিক নির্যাতনের দৃশ্যও দেখা যায়। এর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মারা যান আনিসুল। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার আনিসুল করিমের বাবা বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হাসপাতালের ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD