শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন

বুকজ্বালা এড়ানোর চার উপায়

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আমাদের অনেকেরই মাঝেমধ্যে বুকজ্বালা হয়। বিশেষ করে অতিরিক্ত খাবার খেলে, চর্বি/মসলাদার খাবার খেলে, খাবার খাওয়ার সময়সূচিতে পরিবর্তন আসলে ও কিছু ওষুধ সেবন করলে। এটাকে স্বাভাবিক মনে করা হয়।

কিন্তু প্রতিসপ্তাহে দুইবার বা এর অধিক বুকজ্বালা করলে ধরে নিতে পারেন যে গ্যাস্ট্রোইসোফ্যাজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিইআরডি/জার্ড) রয়েছে। জার্ড হলো এমন একটা অবস্থা যেখানে খাদ্যনালীর নিচের মাংসপেশি এত বেশি শিথিল হয় যে পাকস্থলি থেকে পরিপাক অম্ল উপরের দিকে ওঠে আসে, যার ফলে বুক জ্বলে। সময়ের আবর্তনে খাদ্যনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আলসার, স্কার টিস্যু (ধ্বংসপ্রাপ্ত টিস্যুর প্রতিস্থাপনে যে আবরণ সৃষ্টি হয়) ও ব্যারেট’স ইসোফ্যাগাসের মতো ক্যানসার-পূর্ব দশা হয়। এখানে বুকজ্বালা প্রতিরোধে কিছু কার্যকর উপায় সম্পর্কে বলা হলো।

উদ্দীপক খাবার কমিয়ে ফেলুন: যেসব খাবার খেলে বুকজ্বালা উদ্দীপ্ত হয় তা খাদ্যতালিকা থেকে কমানোর চেষ্টা করুন। বুকজ্বালার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কিছু খাবার হচ্ছে- অম্লযুক্ত খাবার, চর্বিযুক্ত খাবার, মসলাদার খাবার, বুদবুদ ওঠে এমন পানীয়, অ্যালকোহল ও চকলেট। এছাড়া অন্যান্য খাবারও প্রভাবিত করতে পারে। থমাস জেফারসন ইউনিভার্সিটি হসপিটালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট অস্টিন চিয়াং বলেন, ‘খাবার সংবেদনশীলতা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি ভিন্ন হতে পারে।’ বুকে জ্বালাপোড়া অনুভব করলে উদ্দীপক খাবার শনাক্ত করতে কি কি খেয়েছেন তা লিখে ফেলুন। এবার প্রত্যেকটা খাবার নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করলে নিজেই বুঝতে পারবেন যে আপনার বুকজ্বালার জন্য কোনটা উদ্দীপক খাবার।

অল্প খাবার খান: পেটপুরে খাবার খেলে পাকস্থলির অম্ল খাদ্যনালীতে ওঠে আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই খেতে বসলে অতিরিক্ত খাওয়ার লোভ সংবরণ করতে হবে। এছাড়া ধীরে ধীরে খেতে হবে, খাবারকে ভালোভাবে চাবাতে হবে ও পাকস্থলিকে খাবার হজমের জন্য সময় দিতে হবে। এই অভ্যাস ওজন কমাতেও সাহায্য করবে। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ওজনে জার্ডের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

খাবার খেয়েই ঘুম নয়: অনেকেই খাবার খাওয়ার পরপরই ঘুমিয়ে পড়েন। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা খাওয়া মাত্রই ঘুমিয়ে পড়তেন তাদের মধ্যে বুকজ্বালার প্রবণতা বেশি ছিল। খাওয়ার পরপরই শুয়ে থাকলে পাকস্থলির অম্ল সহজেই খাদ্যনালীতে চলে আসতে পারে। তাই বিছানায় যাওয়ার তিন ঘণ্টা আগে খাবার খেয়ে নিন।

বিশ্রাম নিন ও শিথিল থাকুন: মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা এমনকিছু হরমোন নিঃসরণে উদ্দীপনা যোগায় যা খাদ্যনালীকে জার্ডের উপসর্গের প্রতি বেশি সংবেদনশীল করে। শিথিলায়নের যে পদ্ধতি ভালো লাগে তা চর্চা করুন ও পর্যাপ্ত ঘুমান।গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের ঘাটতি জার্ডের উপসর্গকে তীব্র করতে পারে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD