কারও দুই মাস, কারও এক মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া। করোনার কারণে বন্ধ কারখানা। জরুরি ত্রাণও পাননি তারা। তাই পেটে ক্ষুধা নিয়ে বাধ্য হয়ে সড়কে নেমেছেন উত্তরা দক্ষিণখান এলাকার তিনটি পোশাক কারখানার
বকেয়া বেতনের দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়কে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে রাজধানীর দক্ষিণখান ও বাড্ডায় বিক্ষোভ করেন তারা। পরে বকেয়া পরিশোধের আশ্বাস পেয়ে
সব শিল্প কারখানার শ্রমিকদের মার্চ মাসের বেতন ১৬ এপ্রিলের মধ্যেই পরিশোধের জন্য মালিকদের নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। পাশাপাশি বেতন দিতে ব্যর্থ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া
আগামী ১৬ এপ্রিলের মধ্যে শ্রমিক-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন পরিশোধের জন্য সদস্যভুক্ত কারখানার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পোশাক মালিকদের দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে নিজ নিজ শ্রমিকদের বেতন
মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা সরঞ্জাম ফেস শিল্ড এবং সেফটি গগলস। পারসোনাল প্রোটেক্টিভ ইক্যুইপমেন্ট (পিপিই)-এর সম্পূর্ণতার জন্য এগুলো অত্যাবশকীয়। চিকিৎসকদের মতে, মানসম্পন্ন ফেস শিল্ড এবং সেফটি গগলস ছাড়া করোনাভাইরাস
দেশের তৈরি পোশাক খাতের ২৭৮টি কারখানার শ্রমিকদের মার্চ মাসের বেতন দিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। বিজিএমইএ’র সদস্যভুক্ত ৪ হাজার ২০০ কারখানার মধ্যে ২৭৮টি কারখানার শ্রমিকদের বেতন নিয়ম অনুযায়ী পরিশোধ করা হয়েছে বলে
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্ধ হয়ে গেছে কলকারখানা। এ অবস্থায় শ্রমিক ছাঁটাই না করে আগামী ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বেতন পরিশোধ করতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির আহ্বানে
আগামী দিনগুলোতে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লিপ্ত হতে চলেছে রফতানি আয়ে ৮২ শতাংশ অবদান রক্ষাকারী দেশের তৈরী পোশাক শিল্প খাত। বিশেষ করে করোনাভাইরাসের কারণে সম্ভাবনাময় এ শিল্প খাত যে ক্ষতির মুখে