ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর ঘটনায় শাহবাগে অবস্থান করছেন ছাত্র-জনতা। এ সময় তারা সেখানে জুমার নামাজ আদায় করেন। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে শাহবাগ মোড়ে এ চিত্র দেখা গেছে।
পবিত্র রমজান মুসলমানদের কাছে সবচেয়ে বরকতময় মাসগুলোর একটি। বছর ঘুরে রমজান মাস শুরু হতে আর বেশি দিন নেই। দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্টের (আইএসিএডি) হিজরি-টু-গ্রেগরিয়ান তারিখ রূপান্তর ক্যালেন্ডার
আমরা নানা সময়ে নিজেদের আর্থিক সুরক্ষার জন্য ব্যাংকে নিজেদের টাকা-পয়সা জমা রাখি। আর ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী জমা টাকায় লভ্যাংশ জমা হয়। এ ক্ষেত্রে আলোচ্য বিষয় হচ্ছে, সেই অর্থ কোনো মসজিদ
পৃথিবীর সবকিছুকে আল্লাহতায়ালা জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। নারী-পুরুষ মহান আল্লাহর অনুপম সৃষ্টি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘প্রত্যেক বস্তুকে আমি জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ করো।’ (সুরা জারিয়াত:
ইসলামের ইতিহাসের দ্বিতীয় খলিফা ছিলেন হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)। তিনি ছিলেন ইতিহাসের সেই কল্যাণরাষ্ট্রের মহান শাসক, যেখানে জনকল্যাণই ছিল রাষ্ট্র ও সরকারের প্রধান লক্ষ্য। যার ভিত্তি ছিল তাকওয়া বা
২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি ভারতের উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধনের উৎসবমুখর মুহূর্তে যখন আলো ঝলমলে আয়োজন চলছিল, তখন সেই উৎসবের আড়ালে চাপা পড়ে ছিল প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো এক ঐতিহাসিক
হজরত আবু মুসা আশআরী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি দুই ঠান্ডা সময়ের নামাজ পড়বে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (বুখারি, মুসলিম) হাদিসের ঠান্ডাকালীন নামাজ বলে
নসিহত মানে শুধু উপদেশ নয়, এটা হলো এমন এক আমল, যেখানে থাকে দয়া, ভালোবাসা, সতর্কতা, আন্তরিকতা ও কল্যাণের পূর্ণ প্রকাশ। কারণ যে সমাজে নসিহত বা উপদেশ বন্ধ হয়ে যায় সেখানে
মহাবীর, ন্যায়নিষ্ঠ ও আল্লাহভীরু খলিফা হজরত ওমর (রা.) ছিলেন এমন শাসক—যার ভয়ে জমিন কাঁপত, আর যার ইমানের দৃঢ়তায় আসমান গর্ব করত। একবার তার শাসনামলে মদিনা ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। লোকজন ভীত
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পের ঘটনায় গভীর আবেগ ও আত্মসমালোচনামূলক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসলামী বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী। শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ আত্মসমালোচনা করেন।