ই-কমার্সের প্রতি গ্রাহকের আস্থার সংকট পুরোপুরি কাটেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে প্রতারণার মাধ্যমে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো ৬ হাজার ৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অপরদিকে সরকার উদ্যোগ নিয়ে এ পর্যন্ত গ্রাহকের প্রায় ৫৭
দুই বছর আগেও এক কেজি গরুর মাংস পাওয়া যেত ৫০০ টাকায়। বর্তমানে সেই মাংস কিনতে গুনতে হচ্ছে ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা। দেশের বেশির ভাগ মানুষের প্রতিদিনের আয় এর চেয়ে কম।
পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে প্রতিদিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্য চাল, ডাল, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। জরুরি খাদ্যপণ্যের বাড়তি মূল্যের চাপে দিশেহারা মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্ন
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চৈত্রের সকালে বাজার করতে ক্রেতাদের ভিড় থাকলেও অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর কাওরান বাজারে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ব্রয়লার
অতি প্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্যের দাম বেড়েই চলেছে দেশে। এতে যাদের সীমিত আয় তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমন সীমিত আয়ের মানুষেরা যাতে কম মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পেতে পারে, সেজন্য
দেশের বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম। বাজার থেকে যেন সয়াবিন তেল উধাও হয়ে যাচ্ছে! রাজধানীর কোনো কোনো বাজারে খোলা সয়াবিন তেল নেই বললেই চলে। বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও
দিনাজপুরের হিলি বাজারে উঠতে শুরু করেছে ঢেঁড়স। বর্তমানে এই বাজারে সবজিটি প্রতি কেজি ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কুষ্টিয়া, রাজবাড়ি, মেহেরপুর এলাকা থেকে ঢেঁড়স আমদানি হচ্ছে এই বাজারে। বোরবার (১৩
প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের দেশে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আর কখনো কেউ আমাদের পেছনে টানতে পারবে না। শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে
গরুর মাংস ৬৫০-৬৭০, খাসির মাংস ৯৫০-১০০০ টাকা। ৫০ টাকার নিচে চাল নেই। তেল ১৭০-১৭৫ টাকা, চিনি ৮০ টাকা। সব ধরনের সবজির দামও চড়া। এমন অস্থিতিশীল বাজার পরিস্থিতিতে অনেকটা অসহায় নিম্ন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেছেন, একসময় দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটাতে বিদেশ থেকে প্রচুর ইলেকট্রনিক্স পণ্য আমদানি করা হতো। তবে ওয়ালটন এসব পণ্য এখন