বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের পক্ষ সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয় ২৭ আগস্ট ২০২৬ বাংলা ১২,১৪৩৩ রবিউল আউয়াল ১৩,১৪৪৮ বৃহস্পতিবার সকাল ৭:৩০ মিনিটে।

বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন সাধারণ সম্পাদক শেখ নাছির উদ্দীন বলেন
সাম্য মানবতার ও দ্রোহের কবি নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র ঢাকায় বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা সাহিত্যের এ কালজয়ী কবি।

মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর কবিতা ও গান বাঙালির চেতনায় সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। ১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন নজরুল। শৈশবেই দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি।

কবিতা ও গান ছাড়াও হামদ, নাত, গজল, নাটক ও শ্যামাসংগীতসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় রেখেছেন অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর।

মাত্র ২৩ বছরের সৃষ্টিশীল জীবনে নজরুল বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী সৃষ্টি। তার কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম মানুষের মধ্যে জাগিয়েছে নবচেতনা এবং শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রেরণা। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষায় ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামেও যুক্ত হন।

তার নিজের ভাষায়, ‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশুরি আর হাতে রণ-তূর্য’।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে সপরিবারে কবিকে বাংলাদেশে আনা হয়। তাকে দেওয়া হয় জাতীয় কবির মর্যাদা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বসবাসের জন্য রাজধানীর ধানমণ্ডিতে তাকে একটি বাড়ি দেওয়া হয়। ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি প্রদান করে।

১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারিতে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ময়মনসিং ত্রিশাল কাজী নজরুল ইউনিভার্সিটিতে আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শোভাযাত্রা করে কবির সমাধিতে যাবেন। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের পর সমাধি প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এসময় সমাধিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন সদস্য আসাদুজ্জামান বিকাশ ও রুহুল আমিন প্রমুখ।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD