সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনারের সাক্ষাৎ সারা দেশে দুই দিন এলপি গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা পুরো ভারত হবে যন্তর মন্তর, বিক্ষোভস্থল বাতিলের পর হুঁশিয়ারি সিজেপির ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ ২১ জানুয়ারি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে: বিমানমন্ত্রী নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের বিকল্প নেই : রাষ্ট্রপতি রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৬৪ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভেসে গেল বাড়িঘর ও সেতু, নিখোঁজ ৫ সীমান্তে বিজিবির ওপর ‘হামলা’, গুলিতে ‘চোরাকারবারি’ নিহত

ঋণ পেতে আবেদন ২৮০০ আইনজীবীর

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২০

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য সংখ্যা ১০ হাজার। এদের মধ্যে দুই হাজার আটশোর মতো সদস্য ঋণের জন্য আবেদন করেছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ তথ্য জানান সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে নিজেদের সদস্যদের ঋণ দেয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। ১৫ এপ্রিল এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আবেদনের সমসয়সীমা ছিল ২৫ এপ্রিল।

ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, দুই হাজার আটশোর অধিক আইনজীবী আবেদন করেছেন। ঋণ দেয়ার জন্য এখন আমরা পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করব। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে। আমাদের কমিটির পক্ষ থেকে প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। তারপর প্রয়োজনীয়তা অনুসারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে সরকারি আদেশের সঙ্গে মিল রেখে আদালত অঙ্গনও বন্ধ রয়েছে। কেবল জরুরি প্রয়োজনে প্রত্যেক জেলায় একটি করে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট খোলা রয়েছে। এ অবস্থায় সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল স্বল্প পরিসরে কোর্ট চালু করতে প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করেন। এছাড়া একাধিক সমিতিসহ কয়েকজন আইনজীবী প্রধান বিচারপতি বরাবরে সীমিত পরিসরে কোর্ট খুলে দিতে আবেদন করেন।

এরপর গত ২৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কঠোর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অতীব জরুরি বিষয়গুলো শুনানির নিমিত্তে ছুটিকালীন সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্টে বসবেন। আর হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান সব অধিক্ষেত্রের অতীব জরুরি বিষয়গুলো শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। অপর বিজ্ঞপ্তিতে সপ্তাহে দুইদিন জজ কোর্ট খোলা রাখার সিদ্ধান্তও জানানো হয়।

এ দুই বিজ্ঞপ্তি জারির পর আইনজীবীরা কোর্ট চালু না করতে আবেদন জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। পাশাপাশি সপ্তাহে দুইদিন জজ কোর্ট খোলার বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। এছাড়া ২৬ এপ্রিল ফুল কোর্ট সভা আহ্বান করা হয়। সভায় সিদ্ধান্ত হয় সাধারণ ছুটিতে (৫ মে পর্যন্ত) কোর্ট খোলার বিজ্ঞপ্তি স্থগিত থাকবে।

লাইটনিউজ/এসআই

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD