আকাশ, জল ও স্থলের মতো নিজেদের পরমাণু ও মিসাইল কার্যক্রমকেও রক্ষা করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি। তিনি বলেছেন, পরমাণু ও মিসাইল তাদের জাতীয় সম্পদ।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তির মাধ্যমে ইরানের এসব কার্যক্রমকে সীমিত করার চেষ্টা করছেন। এরমধ্যেই এমন বার্তা দিলেন মোজতবা।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) তার এ লিখিত বার্তা দেশটির রাষ্ট্রয়াত্ত্ব টিভিতে পড়ে শোনানো হয়।
মোজতবা এতে বলেছেন, দেশের ভেতরে কিংবা বাইরে যেখানেই থাকুক না কেন, ৯ কোটি গর্বিত ইরানি তাদের আত্মপরিচয়, আধ্যাত্মিকতা, মানবিকতা আর বিজ্ঞান-প্রযুক্তির সব অর্জনকে জাতীয় সম্পদ মনে করে। ন্যানো ও বায়োটেকনোলজি থেকে শুরু করে পরমাণু বা মিসাইল শক্তি—সবই তাদের কাছে আমানত। নিজেদের জল, স্থল আর আকাশসীমাকে তারা যেভাবে আগলে রাখে, এই সম্পদগুলোকেও তারা ঠিক সেভাবেই রক্ষা করবে।”
এছাড়া পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালি নিয়েও কথা বলেছেন মোজতবা। তিনি বলেছেন, “আল্লাহর সাহায্য ও শক্তি নিয়ে পারস্য উপসাগরের উজ্জল ভবিষ্যত হবে আমেরিকাবিহীন এক ভবিষ্যত। সেই ভবিষ্যতটি এখানকার জনগণের অগ্রগতি, স্বাচ্ছ্যন্দ এবং সমৃদ্ধিতে নিয়োজিত থাকবে।”
“পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগর তীরবর্তী দেশগুলোর লক্ষ্য একটিই। যেসব বিদেশি কয়েক হাজার কিলোমিটার দূর থেকে লোভ ও বিদ্বেষ নিয়ে আসে, তাদের এখানে স্থান নেই। তাদের জায়গা হবে পানির তলদেশে।”
তিনি বলেছেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলকে রক্ষা করবে। সঙ্গে শত্রুরা এখানকার সমুদ্রের যে অপব্যবহার করছে, সেটির পতন ঘটাবে।
সূত্র: রয়টার্স