শহীদদের আত্মত্যাগ এবং সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার। তাই জনগণের প্রতিটি সমস্যা লাঘব করা এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করাই এই সরকারের প্রথম এবং প্রধান কাজ।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের সূত্র ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই সংসদের দিকে সমগ্র বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে। পৃথিবীর প্রতিটি কর্নারে যেখানেই একজন বাংলাদেশি আছে, তারা এই সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি দৃঢ় প্রত্যাশা ও আশা পোষণ করে।
আমরা বিভিন্ন সময়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছি, কিন্তু শুধু শ্রদ্ধা নিবেদন করলেই আমাদের কর্তব্য শেষ হয়ে যাবে না। যে প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, যেখানে মানুষ মুক্তভাবে কথা বলতে পারবে, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে, সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই আমাদের আসল লক্ষ্য।
কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা কৃষকদের সমস্যার কথা বলেছেন। আমি তাকে আশ্বস্ত করতে চাই, আমাদের নির্বাচনী মেনিফেস্টো অনুযায়ী আমরা ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু করেছি।
শুধু ধানচাষি নয়, মৎস্য ও গবাদি পশু পালনকারীসহ সব পর্যায়ের কৃষকের কাছে আমরা পর্যায়ক্রমে পৌঁছাব। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের রহমতে কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ এই সংসদ ও নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শুরু করেছে।