শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন

কোনো ব্র্যান্ড-ক্রেতা এলসিতে নিষেধাজ্ঞার ধারা দেয়নি: বিজিএমইএ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

শ্রম সংক্রান্ত মার্কিন নতুন নীতিকে কেন্দ্র করে ঋণপত্রে (এলসি) শর্তযুক্ত ধারা যুক্ত করেনি কোনো ব্র্যান্ড-ক্রেতা প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি ফরাসী ব্র্যান্ড ‘কারিবান’ এর পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জভিত্তিক নিট কনসার্ন কারখানার এলসির তে্রে দেওয়া শর্তটি যুক্ত করেছে দুবাইয়ের সংশ্লিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। ক্রেতা এবং এজেন্টের অনুমতি ছাড়াই নিজস্ব এখতিয়ারে ওই ধারাটি সংযুক্ত করেছে ব্যাংকটি।

তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তা ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর পক্ষ থেকে শুক্রবার এক স্পষ্টিকরণপত্রে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে সংগঠনের সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ফরাসী মূল ক্রেতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ এজেন্টের কাছে মাস্টার এলসিতে অতিরিক্ত ওই ধারাটি সংযুক্ত করায়নি। এলসিতে অতিরিক্ত ধারাটি সংযুক্ত করেছে দুবাইয়ের সংশ্লিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। অতএব, কোন ক্রেতা এলসিতে অতিরিক্ত ধারা দেয়নি। শেষ পর্যন্ত এজেন্ট নিশ্চিৎ করেছে দুবাইয়ের সংশ্লিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ইতোমধ্যে অভিযুক্ত ধারাটি সরিয়ে তা বাংলাদেশের কারখানাটির কাছে হস্তান্তর করেছে। ওই ধারাটি এখন আর বিদ্যমান নেই। এ ছাড়া এজেন্ট নিশ্চিত করেছে, বাংলাদেশের সরবরাহকারী কোন কারখানার সঙ্গে করা এলসিতে এ ধরনের ধারা সংযুক্ত থাকবে না। অতএব, এলসির অতিরিক্ত ধারার ভুল ব্যাখ্যা, বিতর্ক ও আলোচনার অবসান হওয়া উচিৎ।

বিবৃতিতে এলসিতে এ ধরনের ধারার সংযুক্ত না করার জন্য বৈশ্বিক ক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক শ্রম সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতির কারণে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়লে ইতোমধ্যে অর্ডার দেওয়া পণ্য নেবে না কিংবা অর্থ পরিশোধ করবে না- এমন শর্ত যুক্ত করে নিট কনসার্ন কারখানাকে এলসি দিয়েছে ফরাসী ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘কারিবান’। পণ্য জাহাজীকরণের পরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের কোনো ঘটনা ঘটলে তবে অর্থ দেওয়া হবে না বলে জানানো হয় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD