বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন

‘জিয়ার পুরো পরিবারের হাতেই রক্তের দাগ: প্রধানমন্ত্রী

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০

গুম-খুনের রাজনীতি জিয়াউর রহমানই শুরু করে গেছেন বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়াউর রহমানের যে চরিত্র সেই একই চরিত্র দেখি খালেদা জিয়ার। বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের ইনডেমনিটি দিয়েছিল জিয়াউর রহমান এবং পুরস্কৃত করেছিল। আর খালেদা জিয়া ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসেই অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে যাদের দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে তাদের ইনডেমনিটি দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। জিয়া, জিয়ার স্ত্রী ও তার ছেলে সবার হাতে রক্তের দাগ, তারা এভাবেই রাজনীতি করেছে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনায় সভায় যুক্ত হন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে আলোচনায় সভায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভাট্টচার্য অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম-খুনের কথা যারা বলে তাদের কাছে প্রশ্ন এই গুম-খুন শুরু করেছে কে? এ তো জিয়াউর রহমানই শুরু করেছে। সেনাবাহিনীর অফিসাররা ছুটিতে ছিল । তারা ছুটিতে থেকে চলে আসলে মেরে ফেলেছে তাদের পরিবার লাশও পায়নি। সাধারণ সৈনিকদের হত্যা করেছে তাদের পরিবারও লাশ পায়নি। তারা একটা চাকরিও পায়নি। মানবতার জীবন যাপন করেছে। এভাবে সারা দেশকে রক্তাক্ত করেছে শুধু ক্ষমতাকে নিষ্কন্ঠক করার জন্য। সেই একই চরিত্র দেখি খালেদা জিয়ার।

তিনি বলেন, জিয়া, খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারা এভাবেই রাজনীতি করেছে। শিক্ষা দীক্ষা তো নাই শুধু গুন্ডামি আর অত্যাচার খুনের রাজনীতি কায়েম করতে চেয়েছিল। তাদের অকর্ম ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। অগ্নি সন্ত্রাসে মানুষকে পুড়িয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছে তারা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চেয়েছি জাতির পিতার আদর্শে যেন দেশটাকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া যায়। সেজন্যই আমাদের সকল প্রচেষ্টা। আমরা ক্ষমতায় আসার পর তো প্রতিশোধ নিতে যাইনি। আমরা দেশের উন্নয়নের দিকে নজর দিয়েছি। শিক্ষা দীক্ষার দিকে নজর দিয়েছি। একটা দেশকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করলে সম্মান ফিরে আসে। সেটাই দেখিয়েছি।

তিনি বলেন, যে সম্মান ভুলণ্ঠিত করেছিল ১৯৭৫ সালে জাতির পিতার হত্যার মধ্য দিয়ে আমরা সেই হত্যাকারীদের বিচার করেছি। হত্যাকারীদের বিচারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে যে ন্যায় বিচার হয় সেটা নিশ্চিত করেছি। এখনো আসামিদের কেউ কেউ পলাতাক আছে, কিন্তু তারপরেও বিচার করেছি। হ্যাঁ এটা ঠিক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে ইতিহাস একদিন বের হবে, এসব খবরও বেরুবে, এগুলো পাওয়া যাবে, এটা এক সময় না একময় আসবে।

জাতির পিতাকে হত্যা করে তারা ভেবেছিল নাম মুছে ফেলবে, আমাদের বিজয়ের ইতিহাস মুছে ফেলবে। লাখো শহীদের মহান ত্যাগ সেটাও মুছে ফেলবে। যে আদর্শের ওপর দেশ স্বাধীন হয়েছে সেই আদর্শটাই তার ধ্বংস করতে চেয়েছিল।

লাইটনিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD