বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন

জীবন দিতে রাজি আছি, মায়ের ইজ্জত দিতে রাজি নই: জামায়াত আমির

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জীবন দিতে রাজি আছি, কিন্তু কোনো মায়ের ইজ্জত দিতে রাজি নই। কেউ কেউ ষড়যন্ত্র শুরু করেছিল, কিন্তু তা তাদের নিজেদের দিকেই পাল্টা গিয়েছে। আমি যেটা বলি নাই, সেটা নিয়ে তারা মিথ্যাচার করছে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে আরসি কলেজ মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৫৪ বছর যাদের যত বেশি বঞ্চিত করা হয়েছে, আমাদের উন্নয়ন সেখান থেকে শুরু হবে। আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। আমরা কোনো দল বা কোনো পরিবারের বিজয় দেখতে চাই না। আমরা ক্ষমতায় আসলে বিচার হবে সবার জন্য সমান, সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে বিচার, রাষ্ট্রপতি অপরাধ করলেও একই বিচার হবে।

তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতির ডাল আর পাতা ধরে টান দেব না, আমরা ঘাড় ধরে টান দেব। আমরা চাঁদাবাজি করতে দেব না, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২৮ লাখ কোটি টাকা লুটপাট কে পাচার করেছে, সেই টাকা আনতে হলে যারা কোনো লুটপাটের সঙ্গে নাই তাদের ক্ষমতায় আনতে হবে। যারা লুটপাটের সঙ্গে জড়িত তারা এই টাকা আনতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, জীবন দিতে রাজি আছি, কিন্তু কোনো মায়ের ইজ্জত দিতে রাজি নই। কেউ কেউ ষড়যন্ত্র শুরু করেছিল, কিন্তু তা তাদের নিজেদের দিকেই পাল্টা গিয়েছে। আমি যেটা বলি নাই, সেটা নিয়ে তারা মিথ্যাচার করছে।

জামায়াত আমির বলেন, আমাদের কোনো অফিসে যেতে পারিনি। আমাদের সংগঠন নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে, নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। একটামাত্র দল যাদের হাজার কর্মীকে আটক করা হয়েছে, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তারপরও তারা জনগণের জন্য কাজ করে গেছে। আমাদের হাতে অঢেল সম্পদ ছিল না, কিন্তু ঝড় জলোচ্ছ্বাসে পাশে থেকেছি। ৫ তারিখের পর আমরা যখন সুযোগ পেয়েছি তখন কারও বিরুদ্ধে কোনো প্রতিশোধ নিইনি। কোনো মামলা করিনি। কোনো চাঁদাবাজি করিনি। আমরা মানুষের সম্পদের পাহারাদার হিসেবে কাজ করেছি।

সবশেষে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১২ তারিখ প্রথম ভোট হবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট। পরের ভোট হবে দাঁড়িপাল্লায়। একটা বার সুযোগ দেন, কোনো ধর্মের-বর্ণের বৈষম্য থাকবে না, যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী দেশটা গড়ব। এই বাংলাদেশই থাকবে, তবে এর চরিত্র বদলে যাবে। এটা হবে গণমানুষের বাংলাদেশ।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD