মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন

টাইগার ও ডিপজলকে নিয়ে এরশাদের স্বপ্ন

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ জুন, ২০২৩

কোরবানির ঈদের বাকি আর মাত্র দুই সপ্তাহ। এরই মধ্যে রাজবাড়ীতে আলোচনায় এসেছে ৯ মণের টাইগার ও ৭ মণের ডিপজল নামের দুইটি বিশাল আকারের ষাঁড়। ষাঁড় দুইটির মালিক তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা মো. এরশাদ শেখ (২৫)। এবার ঈদে ষাঁড় দুইটি বিক্রি করে তার খামারের আয়তন আরও বড় করবেন বলে স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

গো খামারি মো. এরশাদ শেখ রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রাজধারপুর ছোট ভেল্লাবাড়িয়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।

আরও পড়ুন : জনগণ যাদের ভোট দেবে তারাই সরকার গঠন করবে : প্রধানমন্ত্রী

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিজের বাড়ির উঠানে গোয়াল ঘরে লাল ও কালো রঙয়ের বিশাল আকারের দুটি ষাঁড়কে কাচা ঘাস খাওয়ানো হচ্ছে। লাল ষাঁড়টির ওজন ৯ মণ ও কালো রঙয়ের ষাঁড়টির ওজন ৭ মণ। এতো বড় বিশাল আকারের ষাঁড় দেখতে অনেকেই ভিড় করেছেন এই বাড়িতে।

তরুণ উদ্যোক্তা এরশাদ শেখ বলেন, গত ৪ বছর ধরে আমি ও আমার বাবা নরজুল ইসলাম ষাঁড় দুটিকে অনেক আদর যত্নে দেশিয় প্রাকৃতিক খাবার যেমন, কাচা ঘাস, খড়, খৈল, ঘমের ভূষি, ভুট্টাসহ দানাদার খাবার খাইয়ে বড় করেছি। এবারের কোরবানির ঈদে ষাঁড় দুটি বিক্রি করব। দুইটা ষাঁড়েরই দুই দাঁত। লালটার ওজন ৯ মণ। নাম দিয়েছি টাইগার। কালো ষাঁড়টির ওজন ৭ মণ। আদার করে নাম দিয়েছি ডিপজল। গো খাদ্যের দাম বাড়তি হওয়ায় খরচ অনেক বেশি হয়েছে। ষাঁড় দুটি বিক্রি করে খামারটি আরও বড় করব। টাইগারের দাম ৩ লাখ ও ডিপজলের দাম আড়াই লাখ টাকা চাচ্ছি।

টাইগার ও ডিপজলকে দেখতে আসা কবির হোসেন বলেন, ফেসবুকে টাইগার ও ডিপজলকে দেখে খামারি এরশাদের বাড়িতে এসেছি। ষাঁড় দুটি দেখতে অনেক সুন্দর। দরদাম চলছে।

আরও পড়ুন : জামালপুরে সাংবাদিক নাদিম হত্যার ঘটনায় আটক ৩

আরেক ক্রেতা সাইদ খোন্দকার বলেন, ষাঁড় দুইটি ভালো। কালো রঙয়ের ডিপজল ৭ মণের মত। আমি দেড় লাখ টাকা দাম বলেছি। খামারি চাচ্ছেন আড়াই লাখ টাকা।

রাজবাড়ী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফজলুল হক সরদার জানান, এ বছর রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে রোগাক্রান্ত পশু শনাক্ত ও চিকিৎসা সেবা প্রদানে জেলা প্রাণিসম্পদ দফতর থেকে ভেটেনারি মেডিকেল টিম থাকবে। এ বছর রাজবাড়ী জেলায় সাড়ে আট হাজার খামারে ৫৪ হাজার ৫২৫টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। সরকারি হিসাব মতে, এ বছর ১৪ হাজার ৯৮৫টি ষাঁড়, ৩৩ হাজার ১০টি ছাগল, ছয় হাজার ২০০টি গাভী, ৩০টি মহিষ, ৩০০টি ভেড়া কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD