মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বন্দর দেশি-বিদেশি যার হাতেই যাক জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত হবে: অর্থমন্ত্রী সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান সামরিক চুক্তি ভারতের জন্য কতটা চিন্তার কারণ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু ২৭ আগস্ট রাষ্ট্র কাঠামোর সর্বক্ষেত্রে ফ্যাসিস্টমুক্ত করতে হবে: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার আলোচনায় ব্যর্থ হলেই যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার আশ্রয় নেয়: ইরান ‘ভালোবাসি গাইবান্ধা’ সংগঠনের ২০২৬-২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছোট করার চেষ্টা করছে স্বাধীনতাবিরোধীরা: রিজভী বাংলাদেশে ভিসার ডেভেলপমেন্ট সেন্টার স্থাপনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৮৪, মামলা ৫৮

বন্দর দেশি-বিদেশি যার হাতেই যাক জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত হবে: অর্থমন্ত্রী

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬

বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব দেশি বা বিদেশি যার হাতেই থাকুক না কেন, জনগণের স্বার্থ, ব্যবসার সুযোগ এবং দেশের অর্থনীতির সুরক্ষা নিশ্চিত করাই হবে সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বন্দর কে চালাবে সেটি বড় কথা নয়, বরং যার হাতেই দায়িত্ব থাকুক, তাদের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ও নির্ধারিত নীতিমালা মেনে চলতে হবে।

মন্ত্রী জানান, বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার ওপর জোর দিয়েছে যাতে অর্থনীতি দ্রুত ‘টেকঅফ’ করতে পারে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ১ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করা। এজন্য শিল্পায়ন বৃদ্ধি, রপ্তানি বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ব্যবসার পরিবেশ সহজ করার (Ease of Doing Business) উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যবসায়িক কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রতা ও অতিরিক্ত খরচ কমাতে সরকার প্রথমবারের মতো পোর্ট ও কাস্টমসের সমন্বয়ে একটি ‘জয়েন্ট কমিটি’ গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কমিটি আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমাধান করবে । এর ফলে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া দ্রুত হবে, সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং আল্টিমেটলি বাজারে দ্রব্যমূল্য বা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।

মন্ত্রী কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই সরকারের অধীনে কোনো প্রকার রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বা অবৈধ সুবিধা গ্রহণ চলবে না। প্রভাবশালী কেউ অবৈধভাবে পণ্য খালাস বা কাস্টমসে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলে তা বরদাশত করা হবে না।

চট্টগ্রামকে আগামী দিনের উন্নয়নের অগ্রপথিক হিসেবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী জানান, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট বর্তমানে চট্টগ্রাম সফরে রয়েছেন। এডিবি এই অঞ্চলকে একটি বৃহৎ লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে, যা চট্টগ্রামের সার্বিক অর্থনৈতিক চিত্র বদলে দেবে।

ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আমিরুল হক, এস এম সাইফুল আলম এবং সাইফুল্লাহ মনসুর কাস্টমসের জটিলতা দূর করা এবং ডিরেগুলেশনের মাধ্যমে শিল্পের খরচ কমানোর আহ্বান জানান, যা বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন মন্ত্রী ।

বিফ্রিংয়ে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান। চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক, সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এস এম সাইফুল আলম এবং বিজিএমইএ পরিচালক সাইফুল্লাহ মনসুর।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD