বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিগত ১৫ বছরে প্রায় ২০ হাজার আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নে একযোগে কাজ করছে ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী ওষুধের অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র, দাম কত বন্যাবিধ্বস্ত নেপালকে সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ বদলির আবেদন শেষ আজ, জটিলতায় মাউশিতে ছুটছেন শিক্ষকরা

মিনিকেট চাল প্রতারণা বন্ধে আইন চান প্রতিমন্ত্রী

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২২

‘চাল ছাঁটাই করে আকর্ষণীয় করে মিল মালিকরা প্রতারণা করছেন। চাল পলিশিং করে মিলগুলো চালকে চিকন করে। এতে চাল ছাঁটাই করতে হয়। ফলে অনেক পুষ্টিগুণ চাল থেকে চলে যায়। একটি অগ্রসরমান অর্থনীতিতে এমন প্রতারণা মেনে নেওয়া যায় না। এটা আইন করে বন্ধ করা উচিত।’

‘বায়োফর্টিফায়েড জিঙ্কসমৃদ্ধ ব্রি ধানের বাজার সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

শনিবার একটি জাতীয় দৈনিক এই গোলটেবিলের আয়োজন করে। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক কৃষি সচিব ও কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নাসিরুজ্জামান।

স্বাগত বক্তব্য দেন গেইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. রুদাবা খন্দকার, সঞ্চালনায় ছিলেন দৈনিকটির সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন বিজনেস ইন্টেলিজেন্সের প্রধান নির্বাহী শাকিব কোরেশী।

কোন জাতের চাল- এ বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে মিলগুলো নিজেদের মতো ব্রান্ড দাঁড় করিয়ে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করছে উল্লেখ করে ড. শামসুল আলম বলেন, পুষ্টির ঘাটতি রোধে সরকারের বড় বড় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে। শুধু চালের মাধ্যমে জিঙ্ক সরবরাহ করা যাবে এমন নয়। তবে যেহেতু দেশের মানুষের প্রধান খাদ্য চাল সেহেতু চালের মাধ্যমেই জিঙ্ক সরবরাহ করা সহজ। চালের মাধ্যমে এ উপাদানের সরবরাহ যথাযথ। আইন করে যেমন লবণে আয়োডিন এবং তেলে ভিটামিন থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, তেমনি চালের ক্ষেত্রেও আইন করা দরকার। কেউ প্রতারণা করে চালের যেমন ইচ্ছা তেমন রূপ দেবে এমনটি হতে পারে না।

নাসিরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ থেকে ভূটানসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ জিঙ্কসমৃদ্ধ চাল নিতে চায়। কিন্তু আমরা সেটি দিতে পারছি না। তাই ধানের জাত উদ্ভাবনের পর জনপ্রিয়করণ করতে ১৫-১৬ বছর সময় লাগে, সেটি কমিয়ে আনতে হবে। আবার ধানের নাম সংখ্যাগতভাবে না দিয়ে অন্য কোনোভাবে দিয়ে জনপ্রিয় করা যায় কিনা- সেটি ভাবতে হবে। বিশেষ করে ব্রিধান৭৪ ও ৮৪ জাত অধিক পুষ্টিসমৃদ্ধ। এই জাত জিঙ্ক চাল নামে জনপ্রিয় করা যায় কিনা- দেখা যেতে পারে। কোনো কৃষক যদি পুষ্টিসমৃদ্ধ ধানের আবাদ করতে চায়, তাহলে বিনা জামানতে কৃষক ঋণ পাবে। ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত এই ঋণ কৃষকরা পাবেন বলে কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা দেন তিনি।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, দেশের সব ধানের জাতেই কম বেশি জিঙ্ক রয়েছে। তবে ব্রি ধান৭৪ এবং ব্রিধান-৮৪ জাত দুটি জনপ্রিয় করা সম্ভব হলে দেশের মানুষের জিঙ্কের ঘাটতি অনেকাংশেই পূরণ করা সম্ভব। এজন্য একটি অ্যাকশন প্লান ও সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে অগ্রসর হতে হবে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD