বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিগত ১৫ বছরে প্রায় ২০ হাজার আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নে একযোগে কাজ করছে ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী ওষুধের অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র, দাম কত বন্যাবিধ্বস্ত নেপালকে সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ বদলির আবেদন শেষ আজ, জটিলতায় মাউশিতে ছুটছেন শিক্ষকরা

খুচরা-পাইকারি ব্যবসায় ৮৬ লাখ মানুষ

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২২

নোয়াখালীর মাইজদীর হৃদয় হোসেন। কাজের সন্ধানে কয়েক বছর আগে ঘর ছেড়ে আসেন ঢাকায়। পরে তার দুই ভাইও পরিবার নিয়ে আসেন রাজধানীতে। মিরপুরের ৬০ ফুট এলাকায় কম টাকায় নেন ঘরভাড়া। পরিবার নিয়ে সেখানে বসবাস শুরু করেন হৃদয় ও তার দুই ভাই। মুদিখানার দোকানে কাজ করে সংসার চালাতেন তারা। তিন ভাই মিলে বর্তমানে মিরপুরে মুদিখানার দোকান দিয়েছেন। সেখানে চাল, ডাল, তেল থেকে শুরু করে সব ধরনের মুদিপণ্য বিক্রি করেন। দোকানভাড়া ও অন্যান্য খরচ মিটিয়ে মাসে লাখ টাকার বেশি আয় তাদের, যা দিয়ে খুব ভালোভাবে চলছে হৃদয় ও তার ভাইদের পরিবার।

হৃদয় ও তার দুই ভাইয়ের মতো অসংখ্য মানুষের অবদানে দেশের অর্থনীতির প্রাণ হয়ে উঠছে খুচরা-পাইকারি বাজার। ডিস্ট্রিবিউটিভ ট্রেড পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য নিয়ে গঠিত। দেশের সেবাখাতের প্রধান অঙ্গ বাণিজ্যখাত ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মোট দেশজ উৎপাদনে অর্থাৎ জিডিপিতে এই খাতের অবদান প্রায় ১৪ শতাংশ। জিডিপির হিসাব নির্ণয়ে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ১৫টি খাতের মধ্যে এটি গুরুত্বপূর্ণ। খাতটি ঘিরে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত সবশেষ ‘বিতরণ ব্যবসা জরিপ’র প্রতিবেদন বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া যায়।

বিবিএসের তথ্যমতে, শিল্প ও কৃষিখাতের পরই (তৃতীয়) এ খাতের অবস্থান। বর্তমানে খাতটির মোট আকার রেকর্ড করা হয়েছে পাঁচ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এই খাতে মোট মূল্যসংযোজন করা (জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত) হয়েছে চার লাখ ৭৯ হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা। দেশে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৬টি। এর মধ্যে খুচরা বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৪ লাখ ৮৭ হাজার ২০৩টি, যা মোট প্রতিষ্ঠানের ৮৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

বিতরণ বাণিজ্য তিনটি বিভাগ নিয়ে গঠিত। মোটরগাড়ি, মোটরসাইকেল ও মেরামত সম্পর্কিত সব কার্যক্রম। মোটরগাড়ি ও মোটরসাইকেল মেরামত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দুই লাখ ১৬ হাজার ৭১৪টি, যা মোট প্রতিষ্ঠানের ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। মোটরগাড়ি ও মোটরসাইকেল ছাড়া পাইকারি বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দুই লাখ ৪২ হাজার ৭২৯টি, যা মোট প্রতিষ্ঠানের ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বছরে ১০-১৫ লাখ টাকার টার্নওভার করেন। এসব বাণিজ্য সেক্টরে কাজ করছেন ৮৬ লাখ ২৭ হাজার ৯২০ জন। তবে এসব প্রতিষ্ঠানে নারীর চেয়ে পুরুষের উপস্থিতি বেশি। বাণিজ্যখাতের মোট পূর্ণকালীন কর্মীদের মধ্যে পুরুষ ৯৭ দশমিক ২৭ এবং নারী ২ দশমিক ৭৩ শতাংশ। বেশির ভাগ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পারিবারিক ব্যবসা হিসেবে পরিচালিত হয়। ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী অবৈতনিক।

তেমন একজন আবু বকর সিদ্দিকী। তিনি খুলনার খালিশপুরের নবীর ইসলামের ছেলে। দীর্ঘদিন তারা রাজধানীতে বসবাস করছেন। মিরপুর বিজ্ঞান জাদুঘরের সামনে তার বাবার ফলের দোকান। ২৫ বছরের বেশি সময় তিনি সেখানে ব্যবসা করছেন। বাবা বৃদ্ধ, চলাফেরা করতে পারেন না। তিন বছর আগে সেই ব্যবসার হাল ধরেন আবু বকর সিদ্দিকী।

আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, বাবা ২৫ বছর ব্যবসা করেছেন। ওনার এখন বয়স হয়েছে। চলাফেরা করতে পারেন না। ফলে ব্যবসা আমাকেই দেখতে হচ্ছে। দোকান থেকে যা আয় হয়, তা দিয়ে বাসাভাড়াসহ সংসার চলে। এর বাইরে ছোট ভাইয়ের লেখাপড়ার যাবতীয় খরচও ব্যবসা থেকে আয় হওয়া টাকায় চলছে।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বেতনভুক্ত কর্মচারীর সংখ্যাও কম নয়। তারাও এ খাতে অবদান রাখছেন। তাদেরই একজন রুবেল মিয়া। তার জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। জীবিকার তাগিদে চলে আসেন রাজধানীতে। বর্তমানে মিরপুরের একটি পাইকারি দোকানের কর্মচারী। তার মাসিক বেতন ১২ হাজার টাকা।

রুবেল মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ক্লাস থ্রি পর্যন্ত পড়েছি। চাকরি কই পাবো? তবে দোকানে কাজ করে ভালোই চলছে। মাসে ১২ হাজার টাকা পাই। ঘরভাড়াসহ নিজের খরচ মিটিয়ে এ টাকার অর্ধেকের বেশি চলে যায়। বাকি টাকা গ্রামে বাবা-মায়ের জন্য পাঠাই।

এদিকে, খুচরা-পাইকারি পণ্য সরবরাহে যানবাহন ব্যবহার করা হয়। এসব যান মেরামতের দোকানেও অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হচ্ছে।

মিরপুর কাউন্দিয়া এলাকায় যানবাহন মেরামতের কাজ করেন সুজন মোল্লা। তার বাড়ি ফরিদপুরে। কাজের সন্ধানে ঢাকায় এসেছেন কয়েক বছর আগে। তিনিও ক্লাস থ্রি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। তবে যানবাহন মেরামতে দক্ষ হয়ে উঠেছেন তিনি। এ কাজে তার বেশ সুনামও রয়েছে। কাজ করে তিনি মাসে ১০ হাজার টাকার বেশি আয় করেন।

অন্যদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বছরে গড়ে দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত বার্ষিক টার্নওভার করেন। অনেকে আবার সরকারি চাকরির পেছনে ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত হয়ে ব্যবসায় নেমেছেন। তাদেরই একজন ঝিনাইদহের মধুমতি হ্যাচারি অ্যান্ড ফার্মের মালিক মোহাম্মদ মিথুন। তার ফার্ম থেকে লেয়ার মুরগির লাল ডিম সংগ্রহ করা হয়। ঢাকার পাইকারি বাজারে ফার্মের ডিম সরবরাহ করেন মিথুন। প্রতি মাসে গড়ে ২৫-২৬ গাড়ি ডিম সরবরাহ করেন তিনি। প্রতি গাড়িতে ২০-২৫ হাজার ডিম থাকে। পাশাপাশি কোয়েল পাখির বাচ্চাও সরবরাহ করেন মিথুন।

মিথুন জাগো নিউজকে বলেন, ঝিনাইদহ থেকেই অনার্স পর্যন্ত পড়ালেখা করেছি। চাকরির পেছনে অনেক দিন ধরে ছুটেছি। চাকরি না পেয়ে এখন ফার্ম করেছি। এখানে মুরগির পাশাপাশি কোয়েল পাখির বাচ্চা আছে। মাসে ২৫-২৬ গাড়ি ডিম সেল করছি। নিজে বেশ ভালো আছি। আমার প্রতিষ্ঠানে পাঁচ-ছয়জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।’

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা
সারাদেশে বছরজুড়ে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা হয়। গলির মুদিদোকান থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ কিংবা রাজধানীর চক ও মৌলভীবাজারের পাইকারি বিক্রিও জিডিপিতে যুক্ত হয়। জিডিপিতে এখাতের অবদান ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ। এখাতে আরও কিছু উপখাত আছে, যেমন- গৃহস্থালিতে ব্যবহার্য পণ্য, গাড়ি, মোটরসাইকেল মেরামত ও খুচরা এবং পাইকারি খাতের সঙ্গে যুক্ত হয়।

জিডিপিতে কোন খাতের কত অবদান
মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি এগিয়ে নিতে বেশি অবদান রাখে পাঁচটি খাত। দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে প্রমাণিত এ খাতগুলো হচ্ছে— উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা, পরিবহন, কৃষি ও নির্মাণ। প্রতি বছর দেশের অভ্যন্তরে পণ্য উৎপাদন ও সেবা সৃষ্টি হয়ে কত টাকার মূল্য সংযোজন হয়, সেটাই জিডিপির হিসাবে ধরা হয়। মোটা দাগে কৃষি, শিল্প ও সেবা— এই তিন খাত দিয়ে জিডিপি হিসাব করা হয়। এসব খাত গণনা করা হয় সব মিলিয়ে ১৫ খাত দিয়ে।

মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এখন উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা, পরিবহন, কৃষি ও নির্মাণ- এই পাঁচ খাতের অবদান ৬৭ শতাংশ।

উৎপাদন খাত
এই খাতে দেশের ছোট-বড় কলকারখানাগুলো অবদান রাখে। কলকারখানা থেকে যত পণ্য উৎপাদন হয়ে মূল্য সংযোজন হয়, তা জিডিপিতে যুক্ত হয়। উৎপাদন খাতে জিডিপির অবদান ২৪ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

পরিবহন খাত
পরিবহন খাত অর্থনীতিতে অন্যতম বড় মূল্য সংযোজনকারী খাত? দেশজুড়ে যাত্রী ও পণ্যবাহী বাস-ট্রাক, ট্রেন, জাহাজ-নৌকা চলাচল করে। এই খাত জিডিপিতে ১০ শতাংশের বেশি অবদান রাখে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং পরিবহন খাতের আনুষঙ্গিক কার্যক্রমও পরিবহন খাতের সঙ্গে যুক্ত। ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাত থেকে গতবার ২৭ হাজার কোটি টাকার বেশি মূল্য সংযোজন হয়েছে।

এছাড়া কৃষি ও বনায়ন খাত এই খাত থেকে জিডিপির ১০ শতাংশের বেশি অর্থ আসে। এছাড়া প্রবৃদ্ধির ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ আসে নির্মাণ খাত থেকে। এছাড়া স্বাস্থ্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা, জনপ্রশাসন, ব্যাংক-বিমা, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি সরবরাহ, তেল-গ্যাস খনন এবং মৎস্যচাষ খাত বাকি অবদান রাখে প্রবৃদ্ধি অর্জনে।

বিবিএস সূত্র বলছে, অর্থনৈতিক একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডার ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সূচকসমূহ প্রস্তুত করার জন্য ডিস্ট্রিবিউটিভ ট্রেড জরিপ করা হয়, যা জিডিপি প্রাক্কলনের জন্য খুবই প্রয়োজন। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বাণিজ্যখাতে এবং জিডিপির অবদান সম্পর্কে অধিকতর জানা ও বোঝার সুযোগ করে দেবে জরিপটি।

ডিস্ট্রিবিউটিভ ট্রেড
ডিস্ট্রিবিউটিভ ট্রেডের পরিমাণ ও গতি-প্রকৃতি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপক। এটি দেশের ভেতরে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিনিধিত্ব করে এবং উৎপাদন ও ভোগের সংযোগ ঘটায়। সরকারের গুণগত নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন পরিমাপের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ডিস্ট্রিবিউটিভ ট্রেড।

দেশের অর্থনীতিতে ডিস্ট্রিবিউটিভ ট্রেডের ভূমিকা বিবেচনা করে এবং বিদ্যমান তথ্য-উপাত্তের ঘাটতি কমাতে সহায়ক তথ্য-উপাত্ত প্রস্তুত জরুরি। ফলে নির্ভরযোগ্য তথ্য সরবরাহের লক্ষ্যে ডিস্ট্রিবিউটিভ ট্রেড জরিপ (ডিটিএস) বড় পরিসরে পরিচালনার পরিকল্পনা করছে বিবিএস। জিডিপির পরিসর বাড়ানো, পদ্ধতিগত উন্নয়ন এবং বাণিজ্যখাতের কাঠামোগত পরিবর্তন সম্পর্কে পরিকল্পনাবিদ ও নীতিগত হস্তক্ষেপকারীদের অবহিত করা।

কর্মসংস্থানের আকার
গত বছর ৮৪ লাখ ১৪ হাজার ১৪৮ জন পাইকারি-খুচরা বাণিজ্য সেক্টরে কাজ করছেন। এর মধ্যে ৭৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪২ জন অর্থাৎ ৮৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ পূর্ণকালীন এবং ১০ লাখ ২৭ হাজার ৭০৬ জন অর্থাৎ ১২ দশমিক ২১ শতাংশ খণ্ডকালীন কর্মী। বর্তমানে এ খাতে ৮৬ লাখ ২৭ হাজার ৯২০ জন কাজ করছেন। তাদের মধ্যে ৭৬ লাখ ১৮ হাজার ৮৩২ জন অর্থাৎ ৮৮ দশমিক ৩০ শতাংশ পূর্ণকালীন এবং ১০ লাখ ৯ হাজার ৮৮ জন খণ্ডকালীন কর্মী। কর্মীদের মধ্যে পুরুষ ৯৭ দশমিক ২৭ এবং নারী ২ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

কর্মসংস্থান ব্যয়
১২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ বার্ষিক বৃদ্ধিসহ বর্তমানে মোট কর্মসংস্থান ব্যয় ৩৮ হাজার ৩৫৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। গত বছর কর্মসংস্থান ব্যয় ছিল ৩৪ হাজার ২৩৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে এ খাতে কর্মসংস্থান ব্যয় বেড়েছে ৪ হাজার ১১৭ কোটি টাকা।

‘বিতরণ ব্যবসা জরিপ’ কাজের পরিচালক ও বিবিএস ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং উইংয়ের পরিচালক জিয়াউদ্দীন আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, দেশের খুচরা-পাইকারি বাজার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে। জিডিপিতে এর অবদান অনেক বেশি। এটাকে কেন্দ্র করে যানবাহন মেরামতের স্থানও গড়ে উঠছে। এখাতে বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD