কদিন বিরতির পর ফের ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে মাঠে নামছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তাদের প্রতিপক্ষ পেরু। এদিকে চোটের কারনে বেশ কিছুদিন ক্লাব ও জাতীয় দলের শুরুর একাদশে অনিয়মিত থাকায় আশঙ্কা জাগে মেসি খেলবেন কিনা। শঙ্কা উড়িয়ে লা পুলগা মাঠে নামলেন দলকে জেতালেন। তার জোড়া গোলে প্রতিপক্ষের মাঠে পেরুকে ২-০ গোলে হারায় আলবিসেলেস্তেরা। আর এর মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার রেকর্ড গড়েন মেসি।
প্রতিপক্ষের মাঠে শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দাপট দেখাচ্ছিল আর্জেন্টিনা। তার ফল হাতেনাতেও পায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অবশ্য ম্যাচের ৩২ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে আলবিসেলেস্তাদের। বাঁ প্রান্ত থেকে নিকোলাস গঞ্জালেসের পাস থেকে বল পেয়ে দারুণ শটে গোল করেন মেসি। আর দ্বিতীয় গোল করেন ঠিক ১০ মিনিট পর।
ম্যাচের ৪২ মিনিটের সময় এনজো ফার্নান্দেজ বক্সে বল বাড়ালে শট নিতে গিয়ে ডামি করেন আলভারেজ। সেই ডামিতে শট নেওয়ার দুর্দান্ত সুযোগ পান মেসি। বলকে জালে জড়াতে বিন্দুমাত্র ভুল করেননি আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। হ্যাটট্রিকও পেতে পারতেন মেসি, যদি ৫৯ মিনিটে তাঁর করা গোলটি অফসাইডে বাতিল না হতো।
হ্যাটট্রিক করতে না পারলেও জোড়া গোলে একটি রেকর্ডও গড়েছেন মেসি। বন্ধু লুইস সুয়ারেজকে ছাড়িয়ে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েছেন। ৩১ গোলে এখন মেসি শীর্ষে। আর উরুগুয়ের স্ট্রাইকারের গোল ২৯টি।
আর বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের গোলদাতার তালিকায় সব মিলিয়ে চতুর্থ স্থানে মেসি। ৩৯ গোলে শীর্ষে গুয়েতামালার কার্লোস রুইজ। ৩৬ গোলে দুইয়ে আছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আর ৩৫ গোল করে তিনে আছেন ইরানের আলী দায়ি।