রাজধানীর মুগদায় শিরিন আক্তার (২২) নামের এক অন্তঃসত্ত্বা নারী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার সকাল ৯টায় ভাড়া বাসার নিজ কক্ষে দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে তিনি ফাঁস দেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শিরিনের মা অন্তু বেগম বলেন, আমার মেয়ে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। তিন বছর আগে তার বিয়ে হয়। একমাস ধরে মানসিক সমস্যা দেখা যাচ্ছিল। কোনো কারণ ছাড়াই ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করতো। শুক্রবার সকালেও ঘরের কিছু আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এতে রাগ করে তার স্বামী সোহেল রানা রুম থেকে বের হয়ে পাশে আমাদের বাসায় চলে আসে। পরে আমরা সোহেলকে নিয়ে তার ঘরে এসে দরজা বন্ধ দেখতে পাই। দরজায় অনেক ধাক্কাধাক্কি করলেও কেউ তা খুলছিল না। পরে দরজা ভেঙে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে ফাঁস দেয়া অবস্থায় দেখতে পাই।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
শিরিন পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার কবির কাঠি গ্রামের সোহেল রানার স্ত্রী। তার বাবার নাম সিদ্দিকুর রহমান। মুগদার মাণ্ডায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্বামী সোহেল ডিস লাইন সংযোগের কাজ করেন।
লাইট নিউজ