সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

২৬ ফেব্রুয়ারি বসতে পারে সংসদের প্রথম অধিবেশন

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনে বসতে যাচ্ছে নতুন সরকারের প্রথম অধিবেশন। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ২৬ ফেব্রুয়ারি অধিবেশন শুরুর বিষয়ে আলোচনা ও প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে।

সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতিকে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। তিনি তা প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শক্রমে করেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের (এমপি) গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে ১৪ মার্চের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে হবে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়েছেন।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা জানান, শপথ গ্রহণের এক মাসের মধ্যে অধিবেশন বসার বিধান রয়েছে। যদিও অধিবেশন আহ্বান বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাওয়ার কথা এখনো জানানো হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচন হলেও পুরোনো সংসদের মেয়াদ শেষে নতুন সংসদের অধিবেশন বসে। বিগত তিনটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সেটি দেখা গেছে। দ্বাদশ সংসদের সদস্যরা ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি শপথ নিলেও প্রথম অধিবেশন বসেছিল ৩০ জানুয়ারি। কারণ, একাদশ সংসদের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি। এবার সংসদ না থাকায় অধিবেশন শুরু করতে বেশি অপেক্ষা করতে হবে না।

নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন। এর আগে সেই ভাষণ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হবে এবং অধিবেশনজুড়ে সদস্যরা ভাষণের ওপর আলোচনা করবেন।

এদিকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকায় প্রথম দিনের বৈঠকে কে সভাপতিত্ব করবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এর আগে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন এবং ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু গ্রেপ্তার হন। ফলে এবার সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট হয় এবং ২৯৭টির ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বিএনপি ২০৯টি আসন পেয়েছে এবং তাদের জোটের শরিকরা আরও তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে। স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন পেয়েছে। তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি, খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন একটি এবং স্বতন্ত্র সাতজন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, যাদের সবাই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD