বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতে ব্রিকসে যোগ দেওয়ার পর অসুস্থ চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ পর্যায়ে: ট্রাম্প রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে পাশে থাকার আশ্বাস ওআইসির রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা, ১০০ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়তে পারে ভারত ও চীন বিদেশি শিক্ষার্থীদের লাগাম টানছে অস্ট্রেলিয়া, বন্ধ হচ্ছে পরিবার আনার সুযোগ ইউপি ভোটের তারিখে আসছে পরিবর্তন মাহমুদ আব্বাসকে জাতিসংঘ অধিবেশনে যেতে আবারও ভিসা দিলো না যুক্তরাষ্ট্র সৌর বিদ্যুতের যন্ত্রাংশের আমদানি শুল্ক ১ শতাংশ করল সরকার বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা নীতি কঠোর করছে অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ

ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলেই সংগ্রহ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বিশ্বের যেখানেই করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে বাংলাদেশ তা সংগ্রহে উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ বিষয়ে সরকার অর্থও বরাদ্দ রেখেছে বলে সরকার প্রধান উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ও এ বিষয়ে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

করোনা মোকাবিলায় সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভ্যাক্সিনের ব্যাপারে বিভিন্ন দেশ গবেষণা করছে। অনেক দেশের কাছে আমরা শুনছি। সব দেশেই আমরা আবেদন দিয়ে রেখেছি। এর জন্য টাকাও বরাদ্দ করে রেখেছি। যেখান থেকে আগে পাওয়া যায় আমরা সেটা নেবো। দেশের মানুষকে করোনা থেকে মুক্ত করার জন্য যা যা ব্যবস্থা নেয়ার দরকার তা নেয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সবাইকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যেন এই দুর্যোগের সময়টা পার করতে পারি। ইনশাহ আল্লাহ আমরা এটা পার করতে পারবো। তবে, ভ্যাক্সিন যেটা আবিষ্কার হলো- আমরা আশাবাদী হয়েছিলাম অক্সফোর্ডেরটা নিয়ে কিন্তু তা পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা গেল অসুস্থ হয়ে পড়লো। আমরা দু:চিন্তাগ্রস্ত হয়ে গেছি। তারপরও আমাদের প্রচেষ্টা আছে। যেখানেই আবিষ্কার হোক আমাদের দেশের মানুষের জন্য তা সংগ্রহ করতে পারবো। এই বিষয়ে আমরা যথেষ্ট সচেতন।

করোনা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, করোনা চোখে দেখা যায় না। কিন্তু সারাবিশ্বকে একেবারে স্থবির করে দিয়েছে। বাংলাদেশে যখন এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় তখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সকলে এটি মোকাবিলায় একযোগে কাজ করেছে। প্রশাসন ও আমাদের রাজনৈতিক কর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালিয়েছি বলেই আমরা মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। যতদূর সম্ভব আমরা সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। এর সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা ছিলো না, তারপরও যে যেভাবে পেরেছি সহায়তা করেছি।

করোনাকালে চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে সরকার প্রধান বলেন, চিকিৎসা সেবা যাতে দিতে পারি তার জন্য হাসপাতাল প্রস্তুত, চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়সহ সব ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। এজন্য পানির মত টাকা খরচ হয়েছে। আমরা টাকা পয়সার দিকে তাকাইনি। এখানে হয়তো কেউ খুঁজে খুঁজে দুর্নীতি দেখতে পারে। যে মুহূর্তে এ ধরনের একটি দুর্যোগ মোকাবিলার চিন্তা করতে হয়েছিল তখন টাকা পয়সা কী হবে? কত খরচ হলো। কতটুকু সিস্টেম লস তা বিবেচ্য ছিলো না। আমাদের বিবেচ্য ছিলো মানুষকে বাঁচানো। কীভাবে মানুষকে রক্ষা করবো। আর সেটা করেছি বলেই অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। যেখানে এখনো বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ হিমশিম খাচ্ছে। আমাদের দেশের মত ঘনবসতির দেশে এই কাজগুলো করা অত্যন্ত কঠিন। উন্নত বিশ্বে এই সমস্যাটা ছিলো না।

তিনি বলেন, করোনার কারণে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কী হবে? কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই বিষয়ে আমরা সজাগ ছিলাম। এজন্য আমেরা শুরু থেকেই সিদ্ধান্ত নেই যথাযথ ব্যবস্থা নেই। দেশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায় সেজন্য অনেক পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি।

লাইটনিউজ

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD