শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লিবিয়ার জিম্মিদশায় ১১৯ মাফিয়ার মানব পাচার নেটওয়ার্ক মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট লাগানো নিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিল বিআরটিএ দেশের ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মেডিকেল ট্যুরিজমে থাইল্যান্ডে চমক সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা সোলায়মান মার্কিন অভিযানের তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করে হত্যা করা উচিত: ট্রাম্প ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা সাড়ে ১৫ হাজার যাত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্ব :স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইএমএফের ঋণে শর্ত থাকবে, তা পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

শিশুর শ্বাসকষ্ট কেন হয়, কী করবেন?

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১

শিশুর শ্বাসকষ্ট একটি জটিল রোগ। সাধারণত শর্দি-জ্বর হলে শিশুরা এই সমস্যায় ভুগে থাকে। আবার শীতকালে অনেক শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

ফুসফুসে ভাইরাল ইনফেকশন হলেই শ্বাসকষ্ট হয়। ভাইরাস ফুসফুসের সারফেস লাইনিং নষ্ট করে দেওয়ায় মিউকোসাল ইমিউনিটি কমে যায়। এতে করে ব্যাকটেরিয়ার গ্রোথ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ফুসফুসের এ ভাইরাল ইনফেকশন এবং ব্যাকটেরিয়ার গ্রোথ থেকেই হতে পারে নিউমোনিয়া।

শিশুদের বেশি নিউমোনিয়া হওয়ার প্রবণতা থাকে। কারণ বাচ্চাদের ডিফেন্স মেকানিজম বড়দের তুলনায় দুর্বল হয়ে থাকে। তার ওপর শিশুরা স্কুলে অনেক বাচ্চাদের সঙ্গে মিশে, মাঠে খেলাধুলা করে তাই তাদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কাছাকাছি আসার আশঙ্কাও বেশি। বড়রা যদি বাচ্চাদের সামনে ধূমপান করেন তা থেকেও বাচ্চারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শিশুর শ্বাসকষ্টের লক্ষণ ও প্রতিকার নিয়ে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন ডা. তানজিনা আল-মিজান।

শিশুর শ্বাসকষ্টের লক্ষণ

* ঘন ঘন শ্বাস নেবে এবং শ্বাস নেয়ার হাড় বেড়ে যাবে

* শ্বাসের সঙ্গে কোনো আওয়াজ হলে

* শ্বাস নেওয়ার সময় পেট ভেতরে ঢুকে গেলে

* বুকে ব্যথা হলে

* ঘন ঘন শুকনা কাশি

* অতিরিক্ত খিটখিটে মেজাজ

* বেশ কয়েক দিন টানা জ্বর

* ঘুমঘুম ভাব এগুলোর সঙ্গে যদি কাঁপুনি দিয়ে জ্বর এবং নাকের মাথা, ঠোঁটের চারপাশে নীল হয়ে যায় তাহলে অবহেলা না করে চটজলদি একজন শিশু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।

প্রতিরোধ ও প্রতিকার : পরিবারে কারও এ্যাজমার হিস্ট্রি না থাকলেও প্রথম থেকেই কিছু প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিতে পারলে ভালো।

* জন্মের পর থেকে ছয় মাস পর্যন্ত বাচ্চাকে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করান অতি জরুরি। এতে বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়।

* ভ্যাকসিনেশন-সবগুলো ভ্যাকসিন যেন সঠিক সময়ে অবশ্যই দেয়া হয় সেদিকে খুব গুরুত্ব দিতে হবে।

* বাচ্চার ঘর যেন হয় আলো বাতাসে ভরপুর।

* প্রতিদিন বাচ্চা যেন রোদে কিছু সময় হলেও থাকতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সূর্যরশ্মি থেকে আমাদের শরীরে যে ভিটামিন তৈরি হয় তাও আমাদের রোগ প্রতিরোধ করে।

* বাচ্চাদের নিউট্রিশনাল ব্যালান্স জরুরি।

* পর্যাপ্ত পানীয় খাবার নিশ্চিত করতে হবে।

* বাসার কাজে সাহায্যের জন্য যারা আছেন তাদের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। তাদেরও প্রপার হাইজিন মেইনটেইন করতে হবে।

* স্কুল থেকে এবং বিকালে খেলাধুলা করে বাচ্চারা বাসায় ফিরলে তাদের ঘামে ভেজা জামা-কাপড় পাল্টে দিয়ে হাত মুখ ধোয়ানোর অভ্যাস করতে হবে।

* বাইরে যাওয়ার সময় এবং ঘুমানোর সময় বাচ্চাদের শরীরে পর্যাপ্ত শীতের কাপড় যেন থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এতে করে রোগাক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যাবে।

 

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD