গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায় মিয়ানমার। এজন্য ২০১৭ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসরণ করতে চায় দেশটি। শুক্রবার পররাষ্ট্র
মুজিববর্ষ উপলক্ষে রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত বঙ্গবন্ধু অ্যাডভেঞ্চার উৎসবের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। এসময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রসঙ্গ এবং করোনা ভাইরাসের
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে না নিলে অশান্তির আশঙ্কা আছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। নানা চেষ্টার পর বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সাড়ে তিন বছর পরও রোহিঙ্গাদের একজনকেও মিয়ানমারের রাখাইনে ফেরত পাঠানো
ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেছেন, আমরা আগামী বছর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন চাই। এ সংকটের সমাধান হওয়া জরুরি। বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ডিপ্লোম্যাটিক
তুরস্ক তাদের প্রতিরক্ষাসামগ্রী বাংলাদেশে বিক্রি করতে চায় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় সফররত দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভাসগ্লু। পাশাপাশি বৃহদায়তন প্রকল্পে বিনিয়োগেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে দেশটি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভাসগ্লু বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশকে এক সময় দারিদ্র্য পীড়িত দেশ হিসেবে সবাই চিনতো। তবে এখন আর সেদিন নেই। আমরা বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করতে চাই। ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ
রোহিঙ্গাদের জীবনমানের উন্নয়নের লক্ষ্যে ভাসানচরে স্থানান্তরের বিষয়টিকে ‘আন্তরিক প্রচেষ্টা’ বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশে সরকার। এ বিষয়ে ‘ভুল ব্যাখ্যা’ না দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বানও জানানো হয়েছে। রোহিঙ্গাদের এই স্থানান্তর নিয়ে
মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) ছিলেন মানবতার পথপ্রদর্শক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কাজে হযরত মোহাম্মদ (স.) এর শিক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়া ইসলাম এমনই এক ধর্ম, যা শান্তি ও সৌহার্দ্যের
বিদেশে সম্পদ গড়ার ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদের চেয়ে সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা বেশি বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। কানাডার টরোন্টোতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ওপর গোপনে তথ্য সংগ্রহ করে এ পরিসংখ্যান পেয়েছেন
কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতির সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা প্রায় অসম্ভব। তবে এসডিজি অর্জনের ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য থাকলেও মহামারির মধ্যেই রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশ দ্বিগুণ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। শুক্রবার (১৩