সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় ভারতের
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছে। তাকে বহন করা হচ্ছে লাল-সবুজ
আপসহীন নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে আসা সাধারণ মানুষ ও
ফেনী: ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে অবস্থিত খালেদা জিয়ার বাবার বাড়িটি আজও বহন করে তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর অসংখ্য স্মৃতি। বাড়ির পাশের দিঘির ধারে তাঁর নিজ হাতে লাগানো নিমগাছ, ঘরের ভেতরে বসানো
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ এখন তার ছেলে তারেক রহমানের বাসায় নেওয়া হয়েছে। এখানেই দলের নেতাকর্মী ও স্বজনরা খালেদা জিয়াকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন। খালেদা জিয়ার
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আজ (বুধবার) বাদ জোহর দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে। খালেদা জিয়ার প্রতি সর্বস্তরের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে সম্মান জানাতে
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ এখন তার বাসভবন গুলশানের ‘ফিরোজা’য় নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া ৯টার দিকে তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ফিরোজায় প্রবেশ করে। সকাল ৯টার
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের ইতিহাসের এক চিরস্মরণীয় ও বিষাদময় দিন। আজ শেষ বিদায় নিচ্ছেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দীর্ঘ চার দশকের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক পথচলা শেষে আজ
১৯৮১ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি স্বামী মেজর জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর গৃহবধূ বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির হাল ধরে দলটিকে এনেছিলেন সরকারে। শুধু তাই নয়, দেশের প্রথম এবং ইসলামী বিশ্বের দ্বিতীয় নারী
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত সারা দেশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিতব্য জানাজায় নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে