স্বতন্ত্র ইন্দো-প্যাসিফিক রূপরেখা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। চারটি মৌলিক নীতিমালার ওপর প্রণীত এ রূপরেখায় ১৫টি অভিলক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য সফরের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে এ রূপরেখা ঘোষণা
বাংলাদেশে নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রও কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায় না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, আমেরিকা চাইছে বাংলাদেশ একটি আদর্শ নির্বাচন করে পৃথিবীকে দেখাবে। তাদের চাওয়া
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে আর কোনো রোহিঙ্গা নেই বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। শূন্যরেখায় থাকা রোহিঙ্গাদের রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ইমদাদ হকের সার্বিয়া
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, র্যাবের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রাজনৈতিক বিষয়। এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। শুরু থেকেই এর সমাধানের (নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের) জন্য জোরালোভাবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি ভালো নয়। আতঙ্কে কেউ কেউ প্রবেশ করেছে। তবে নতুন করে মিয়ানমার থেকে আর কাউকে ঢুকতে দেয়া হবে না। সোমবার সচিবালয়ে
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও বাহিনীটির সাত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কবে নাগাদ তুলে নেওয়া হবে সে বিষয়ে ইঙ্গিত দেননি মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক মার্কিন অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু। মঙ্গলবার
র্যাব গঠনের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পৃক্ততা ছিল দাবি করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেন, র্যাব যখন তৈরি হয়, তখন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পরামর্শেই তৈরি হয়। তখনকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশ সরকারকে বিব্রত করে। এটি বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ককে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে পারে না। সামনের দিনে সীমান্ত হত্যা কমে আসবে। বুধবার (৪ জানুয়ারি)
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপ ও অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র করতে দেওয়া হবে না। সরকার ভোটের অধিকার রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক
ভারত মহাসাগরের বাণিজ্য, বিপর্যয় মোকাবিলা নিয়ে সম্প্রতি একটি বৈঠকের আয়োজন করেছে চীন। ভারত মহাসাগরের আশপাশের ১৯টি দেশকে ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ওই ১৯ দেশের তালিকায় নেই ভারত। তবে বাংলাদেশ