ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে নিজেকে সম্পৃক্ত করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, মোজতবা খামেনি আমার কাছে অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। আমরা এমন কাউকে চাই যে ইরানে সম্প্রীতি ও শান্তি আনবে।
সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন বলে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছে রয়টার্স।
মোজতবা খামেনেইকে তার প্রয়াত পিতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রাখা হচ্ছে। বলা হয়, তিনি বছরের পর বছর ধরে অভিজাত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কপর্সের (আইআরজিসি) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। একইসঙ্গে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও প্রভাব বাড়িয়েছেন তিনি।
একজন শক্ত অবস্থানের কট্টরপন্থী হিসেবে তার নির্বাচিত হওয়া হলে তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমাকে এই নিয়োগের সঙ্গে জড়িত থাকতে হবে, যেমন আমি ভেনেজুয়েলার ডেলসি রদ্রিগেজের বিষয়েও জড়িত ছিলাম।’ এভাবেই তিনি নিজের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এর আগে, স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ইরানে সমন্বিত হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পরমাণু কর্মসূচি ইস্যুতে এই দুই দেশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে ইরানের। যদিও তেহরান দাবি করছে, পরমাণু শক্তি অর্জন তাদের অধিকার এবং তারা তা শান্তিপূর্ণভাবে করছে। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য।
কিন্তু ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের দাবি, ইরান পরমাণু শক্তি অর্জন করলে ‘বিশ্ব মানবতার জন্য হুমকি’ হয়ে দাঁড়াবে। তাই দেশটিকে রুখতে তারা হামলা চালিয়েছে।
এদিকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চুক্তির জন্য গত বছর থেকে কয়েক ধাপে পরোক্ষ আলোচনায় অংশ নিয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। আলোচনার মধ্যে গত বছরের জুনে ইরানে আকস্মিক হামলায় চালায় ইসরায়েল। সঙ্গে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এবারও একই পথে হেঁটে তেহরানে হামলা চালিয়েছে মিত্র দুই দেশ।