চিতলমারী-কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : করোনাকালে কোরবানি ঈদে বা পবিত্র ঈদুল আজহায় করণীয় কি? এ সম্পর্কে সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার প্রধানগণ সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। তাঁরা করোনাকালে আগত কোরবানি ঈদ সম্পর্কে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন।
চিতলমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল বলেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মসজিদের ভেতরেই ঈদের নামাজ আদায় করতে হবে। প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দসহ সবাই যার যার অবস্থান থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের দিক-নির্দেশনা মেনে যাতে ঈদ পালন করতে পারেন সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফুল আলম বলেন, পবিত্র ঈদে কোরবানির পশু কেনা-বেচার জন্য এর মধ্যে অনলাইন হাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই অনলাইনে চিতলমারীর ১১২ জন খামারিসহ বাগেরহাট জেলার পশুর ছবি, দাম, ঠিকানাসহ বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উন্মুক্ত স্থানে কোনোভাবেই ঈদের নামাজ আদায় করা যাবে না। প্রত্যেক নামাজি বাড়ি থেকে গোসল, ওজু করে মাস্ক পরে বাড়ি থেকে জায়নামাজ নিয়ে মসজিদে আসবেন। নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে নামাজ আদায় করবেন।
ইউএনও আরো বলেন, এলাকার বাইরে হতে যারা ঈদ উপলক্ষে বেড়াতে আসবেন, তারা হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। কোনো অবস্থায় তারা জামাতে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতে পারবেন না। এবিষয়ে ৬৩টি ওয়ার্ড কমিটি সতর্ক দায়িত্ব পালন করবে। চিতলমারী উপজেলায় ৩৩০টি মসজিদ আছে। তাদেরকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। এছাড়াও সরকারি আরো নির্দেশনা রয়েছে। যা প্রত্যেক এলাকায় মাইকিং-এর মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. বাবুল হোসেন খান বলেন, একদিকে করোনা মহামারির ভয়, অপরদিকে পবিত্র ঈদুল আজহা সমাগত। প্রত্যেকে নিজে সুরক্ষিত থাকব, অন্যকে সুরক্ষিত রাখব। সরকারি নির্দেশনা মেনে চলুন। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।
লাইট নিউজ