রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ন্যাম ভবন থেকে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ডেঙ্গুতে সেপ্টেম্বরের ২০ দিনে ৮৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৯৩ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন কতজন, তালিকায় যারা জাতিসংঘে দেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি অপ্রতিমকে যেভাবে হত্যা করা হয়, লোমহর্ষক বর্ণনা দিলো পুলিশ অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড: ‘কিশোর গ্যাং’ লিডার কে এই তুহিন ভারি বৃষ্টিতে ডুবল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা, দুর্ভোগে নগরবাসী অপ্রতিমের জানাজা সম্পন্ন সরকারকে দোষ দেই না, নানা খরচে সরকার বিপর্যস্ত: রুমিন ফারহানা

কেয়ামতের দিন বিশ্বনবির সবচেয়ে কাছের হবেন যে ব্যক্তি

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ধর্ম ডেস্ক : রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সবচেয়ে আপন কে? কেয়ামতের দিন কোন ব্যক্তি প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আপন হবে? কোন আমলের বিনিময়ে ওই ব্যক্তি প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছাকাছি হবেন? হাদিসের বর্ণনায় তা সুস্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

আল্লাহ তাআলার নির্দেশ হচ্ছে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ পড়া। তাঁর জন্য রহমত কামনায় দোয়া করা। তিনি নিজেও প্রিয়নবির প্রতি রহমত পাঠান। ফেরেশেতারা রহমত কামনা করেন আর এ নির্দেশ বান্দার প্রতিও করেছেন মহান আল্লাহ। তিনি বলেন-

إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا

‘আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবির প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবির জন্য রহমতের দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম পাঠাও।’ (সুরা আহজাব : আয়াত ৫৬)

এ আয়াতে আল্লাহর সালাত পাঠানোর মর্মার্থ হলো- রহমত। অর্থা‍ৎ আল্লাহ তাআলা বিশ্বনবীর প্রতি অবিরত রহমত বর্ষণ করেন।

ফেরেশতাদের সালাত পাঠানোর মর্মার্থ হলো- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর রহমত বর্ষণের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। এই দোয়াই হচ্ছে দরূদ।

সুতরাং হে ঈমানদাররা, তোমরাও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ পড়।

কাছাকাছি অবস্থানকারী ব্যক্তির পরিচয়-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কেয়ামাতের দিন ওই ব্যক্তিই আমার সবচেয়ে কাছাকাছি হবে যে আমার প্রতি বেশি বেশি দরূদ পাঠ করে। (তিরমিজি)

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মাতকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যে ব্যক্তির উপস্থিতিতে আমার নাম উচ্চারিত হবে, কিন্তু আর ওই ব্যক্তি আমার প্রতি দরূদ পড়বে না, সে বড় কৃপণ।’ (তিরমিজি)

দরূদের আরও ফজিলত

হজরত আবু তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন। তখন তার চেহারায় আনন্দের আভা দেখা যাচ্ছিল। এসেই তিনি বললেন, জিবরাঈল আলাইহিস সালাম আমার কাছে এসেছিল এবং বলে গেল-

– হে মুহাম্মদ! আল্লাহ তাআলা বলেছেন, আপনি কি এতে সন্তুষ্ট হবেন না যে, আপনার উম্মতের কেউ আপনার ওপর একবার দরুদ পড়লে আমি তার ওপর ১০ বার রহমত বর্ষণ করব।

– কেউ একবার সালাম পেশ করলে তার প্রতি সালাম পেশ করব ১০ বার। আল্লাহ আমাদের বেশি বেশি দরুদ পাঠের তওফিক দিন। (নাসাঈ)

অপর বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরূদ পড়বে। আল্লাহ তার প্রতি দশবার রহমত নাজিল করেন, এবং তার দশটি গোনাহ (ছগিরা) মাফ করা হয়, ও তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়।’ (নাসাঈ)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাম শোনার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতি সালাম ও দরূদ পড়া। কেননা এ দরূদ পড়ার মাধ্যমেই কেয়ামতের দিন উম্মতে মুহাম্মাদি তাঁর সবচেয়ে কাছাকাছি থাকবেন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি বেশি বেশি দরূদ পড়ার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ ও নেয়ামত লাভে ধন্য হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD