রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন

নারায়ণগঞ্জে ৫৫ র‌্যাব আক্রান্ত

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ মে, ২০২০

নারায়ণগঞ্জে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের ৫৫ জন সদস্য করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে রয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ১৪ জন হাসপাতাল ও বাকিরা র্যােবের আইসোলেশন সেন্টারে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। রোববার রাতে সঙ্গে আলাপকালে র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার এ তথ্য জানান।

লে. কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার বলেন, আমাদের ১৪ জন সদস্য হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরা সবাই ভালো রয়েছেন। তবে দ্রুত সুস্থতার জন্য এরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। যার মধ্যে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ৯ জন এবং রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে (সিপিএইচ) ৫ জন সদস্য চিকিৎসাধীন। পরে তিনি র‌্যাবের নিজস্ব আইসোলেশন ব্যবস্থাপনার বিস্তারিত তুলে ধরে একটি লিখিত বক্তব্য দেন।

সেখানে তিনি জানান, র‌্যাবের বর্তমান ৫০ ও সাবেক ৫ জন সদস্যের কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। কিন্তু আমাদের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত হাসপাতালগুলোতে ভিড় হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ এপ্রিল র‌্যাব-১১ এর ব্যারাক চতুর্থ তলার উপর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ১৪০ শয্যা ও ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশাল কোম্পানিতে ২০ শয্যার আইসোলেশন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। আক্রান্তরা সেখানেই চিকিৎসাধীন। তবে তারা সবাই সুস্থ আছেন।

‘আইসোলেশন সেন্টারে র‌্যাব সদস্যদের চিকিৎসার জন্য বর্তমানে ৬০টি শয্যা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের জেনারেল জারি করা করোনা ট্রিটমেন্ট প্রোটোকল অনুসারে অক্সিজেন সিলিন্ডার, পোর্টেবল ভেন্টিলেটর, পোর্টেবল ইসিজি মেশিন, ২৪ ঘণ্টা জরুরি রোগী বহনের জন্য অক্সিজেন সুবিধার অ্যাম্বুলেন্সসহ যাবতীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে।

তিনি বলেন, ডিসপোজেবল প্লাস্টিকের পাত্রে তাদের তিন বেলা খাবার দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ফল, লেবু, আদা, লবঙ্গ, কালোজিরা ও প্রতিদিন চা দেওয়া হচ্ছে। তাদের সুরক্ষায় দৈনিক ব্যবহারের জন্য দেওয়া হচ্ছে ফেস মাস্ক, পিভিসি হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং ন্যাপকিন। তাদের জন্য আলাদা প্রার্থনা কর্নার, গরম পানির বাথরুম, বৈদ্যুতিক কেটলি, টিভি ও সংবাদপত্র থাকছে।

চিকিৎসাধীন র‌্যাবের সদস্যদের সদর দপ্তরের মেডিক্যাল অফিসার, সিএমএইচ, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল ও জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন চিকিৎসা বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন। র‌্যাব সদস্যদের ওষুধ হিসেবে জিংক ট্যাবলেট, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন সি ট্যাবলেট দেওয়া হচ্ছে নিয়মিত।

ইমরান উল্লাহ সরকার বলেন, র‌্যাব সদস্যদের মধ্যে কোনো উপসর্গ নেই। যেহেতু তারা সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, খাদ্য সহায়তাসহ আক্রান্তদের সংস্পর্শে যাচ্ছে সেজন্য তাদের থেকে যেন অন্যদের মধ্যে না সংক্রমণ হয় সেজন্য নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তখন তাদের রিপোর্টে কোভিড-১৯ পজেটিভ শনাক্ত হয়। ধরা পড়ার পর থেকেই আইসোলেশনে আছেন সবাই।

লাইটনিউজ/এসআই

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD