বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘মক্কা চুক্তি’ আলোচনার মধ্যে সৌদি যুবরাজকে চিঠি প্রধানমন্ত্রীর মক্কা চুক্তি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই বৈঠক নেপাল বন্যায় চীনের দায় অস্বীকার, কাঠমাণ্ডু-বেইজিং সম্পর্কে ফাটল ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে সুইস আদালতে উয়েফা ৬৪ জেলায় ৬৪ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চান রুমিন ফারহানা! ৮ হাজার মুসলিম হত্যার পরিকল্পনাকারী ‘বসনিয়ার কসাইর’ মৃত্যু বিগত ১৫ বছরে প্রায় ২০ হাজার আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পুতিন নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নেপাল বন্যায় চীনের দায় অস্বীকার, কাঠমাণ্ডু-বেইজিং সম্পর্কে ফাটল

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

ভয়াবহ বন্যা ও আকস্মিক জলস্রোতে বিপর্যস্ত নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে দেশটির পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

দুর্যোগের কারণ নিয়ে নেপাল ও চীনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েনের ইঙ্গিত মিলেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্যোগের পর নেপাল চীনের দিকে অভিযোগের আঙুল তুললেও বেইজিং তা সরাসরি নাকচ করেছে।

নেপালের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, চীনের একটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি পরিস্থিতির ভয়াবহতা সম্পর্কে চীন আগে থেকে নেপালকে সতর্ক করেনি বলেও অভিযোগ করা হয়।

তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে চীন ঘটনাটিকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করেছে। নেপালে অবস্থিত চীনা দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, বিপর্যয়ের সূত্রপাত নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায়। ২৬ আগস্ট সকালে সেখানে ভূমিকম্প অথবা হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটে, যার ফলে কাদাধস তৈরি হয়। এর প্রভাবে গিরং-রাসুয়াগাধি সীমান্ত এলাকায় নেপাল ও চীনে হতাহত ও নিখোঁজের ঘটনা ঘটে।

বেইজিং আরও বলেছে, একে অপরকে দোষারোপ করে কোনো লাভ নেই; বরং সহযোগিতার মাধ্যমে মানুষের জীবন রক্ষা করাই গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস প্রথমে জানিয়েছিল, বুধবার ভোরে কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৬৬ কিলোমিটার উত্তরে নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে। পরে সংস্থাটি তাদের মূল্যায়ন সংশোধন করে জানায়, কম্পনটি ভূমিকম্পের কারণে নয়, বরং হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্টি হয়েছে। সংশোধিত হিসাবে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২।

ভূকম্পন পরিমাপক কেন্দ্রের তথ্য, ভূকম্পন তরঙ্গ এবং উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণের পর ইউএসজিএস এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে।

সংস্থাটির মতে, হিমবাহ ধসের সময় বিপুল পরিমাণ বরফ ও পাথর নিচের দিকে নেমে এসে আকস্মিক জলস্রোত তৈরি করে। এর ফলে উপত্যকার নিচের জনবসতিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। জলবায়ু বিশেষজ্ঞদেরও ধারণা, হিমবাহ ধসই এই ভয়াবহ দুর্যোগের অন্যতম প্রধান কারণ।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD