শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

সান মারিনো কেন ২১১ নম্বরে, সেটা প্রমাণ করাতে চান ডুলি

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
সান মারিনো কেন ২১১ নম্বরে, সেটা প্রমাণ করাতে চান ডুলি

ফিফা র্যাংকিংয়ে সবচেয়ে পেছনে ইউরোপের দেশ সান মারিনো। ২১১ নম্বর তাদের র্যাংকিং। সেই দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৫ জুন অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে।

আগামীকাল সান মারিনোর উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার আগে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূইয়া ও হেড কোচ টমাস ডুলি সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

বাংলাদেশের নতুন কোচ ডুলি সান মারিনো ম্যাচের লক্ষ্য নিয়ে বলেন, ‘আমি খেলোয়াড়দের যা বলেছি তা হলো, সান মারিনো র‍্যাংকিংয়ে সবার নিচে। তাই, ওই ম্যাচে আমাদের হারার কোনো সুযোগ নেই। এটাই সেই চাপ, যা আমরা খেলোয়াড়দের দিচ্ছি। আমাদের দেখাতে হবে তাদের এবং আমাদের মধ্যে একটা পার্থক্য আছে। তারা কেন সবার শেষে এবং আমরা কেন নই, সেটা আমাদের প্রমাণ করতে হবে।’

সান মারিনো র্যাংকিংয়ে ২১১ নম্বর থাকলেও নির্ভার থাকার সুযোগ নেই, সেটাও বলেছেন কোচ, ‘এর মানে এই নয় যে, আপনাকে সব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে না। তাদের কিছু সুবিধাও আছে। তারা তুলনামূলক লম্বা, শক্তিশালী এবং শূন্যে বল দখলের ক্ষেত্রে তারা সুবিধাজনক অবস্থায় থাকে। তাই আমাদের বিপক্ষে যদি কর্নার কিক বা ফ্রি কিক হয়, এমনকি তারা খুব ভালো দল না হলেও গোল করে ফেলতে পারে। আর অতীতের দিকে তাকালে দেখবেন, আমরা খুব বেশি গোল করতে পারি না। আমাদের আরও বেশি গোল করতে হবে, কারণ ম্যাচ জিততে চাইলে গোল করা জরুরি।’

বাংলাদেশ সান মারিনোর চেয়ে র্যাংকিংয়ে ৩০ ধাপ এগিয়ে। এত ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় অতিরিক্ত আত্নবিশ্বাসী নেতিবাচক ফল আনতে পারে এমনটাও মনে করেন কোচ, ‘আপনি যদি এমন মনোভাব নিয়ে ম্যাচে নামেন, তবে আপনি ম্যাচগুলো জিতবেন।’

বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া সান মারিনো ম্যাচ নিয়ে বলেন, ‘নতুন কোচ, নতুন স্টার্ট, সবকিছু নতুন। তাই আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করব। অবশ্যই, আমরা নেক্সট ম্যাচ জিততে চাই। কারণ আমরা প্রথমবারের মতো ইউরোপে খেলতে যাচ্ছি। তাই আমরা সেখানে জিততে চাই।’

ডুলি বাংলাদেশে এসেছেন মাত্র সপ্তাহ খানেক। অনুশীলনে সকল খেলোয়াড়কে পাননি এখনও। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই আমাদের প্রায় ২৭ জন খেলোয়াড় ছিল, তারপর দেখতে হয় অনুশীলন সেশনে কারা আলাদাভাবে নজর কাড়ছে। আপনারা জানেন এটা কেমন, তারা যন্ত্র নয়, তারা খেলোয়াড়। আপনি মাঝে মাঝে ভুল করেন, মাঝে মাঝে আপনার দারুণ একটা অনুশীলন সেশন যায়, আবার কখনো যায় না।’

‘আমরা যখন ফিরে আসব, আমাদের পরের ম্যাচের আগে… এই মুহূর্তে বাইরে এমন খেলোয়াড় আছে, যাদের প্রথম একাদশে থাকার কথা। কিন্তু তারা এখানে নেই। তবে আমরা তাদের খুঁজে বের করব এবং তাদের দলে আনার সুযোগ পাব। তখন তাদের প্রমাণ করতে হবে তাদের মধ্যে কী সামর্থ্য আছে।’

ডিফেন্ডার ইসা ফয়সাল অনেক দিন পর জাতীয় দলে চূড়ান্ত স্কোয়াডে ঢুকেছেন। আরেক ডিফেন্ডার রহমত মিয়া ফাইনাল স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন। রহমতের পাশাপাশি ডিফেন্ডার আব্দুল্লাহ ওমার, শাকিল হোসেন, মঞ্জুর হাসানও সান মারিনো যেতে পারছেন না। ফরোয়ার্ডদের মধ্যে ইব্রাহিম, স্বাধীন ও মিরাজুল ছিটকে গেছেন। মিরাজুল অবশ্য অলিম্পিক দলের সঙ্গে মালদ্বীপ গেছেন।

এদিকে হামজা-সামিত-জায়ানরা দোসরা জুন সরাসরি সান মারিনোতে যোগ দেবেন। আগামীকাল দুপুরে ইথিপিওয়া এয়ারলাইন্সে বাংলাদেশ দল আদ্দিস আবাবর উদ্দেশ্যে রওনা হবে। সেখান থেকে ইতালির রোমে পৌছে। এরপর সান মারিনো যাবেন জামালরা।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD