শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন

ঘন ঘন ওঠানামা করছে বীমার শেয়ার

লাইটনিউজ রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৩

ঘন ঘন ওঠানামার মধ্যে আছে বীমার শেয়ার। বুধবার এ-খাতের সিংহভাগ শেয়ার দর হারালেও গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল বিপরীত অবস্থা। গত দুই সপ্তাহে এমন চিত্রই দেখা গেছে। সপ্তাহের শেষ দিনে গতকাল বীমা খাতের লেনদেন হওয়া ৫৬ কোম্পানির মধ্যে ৪৯টির দর বেড়েছে। গড়ে দর বেড়েছে আড়াই শতাংশ।

শুধু বীমা নয়, সপ্তাহের শেষ দিনে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকি প্রায় সব খাতের দর হারানোর তুলনায় দরবৃদ্ধি পাওয়া শেয়ারের সংখ্যা বেশি ছিল। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৯২ কোম্পানির মধ্যে ১১২টির দর বেড়েছে এবং কমেছে ৩১টির। অপরিবর্তিত বা ফ্লোর প্রাইসে ছিল ১৬৫
শেয়ার। ক্রেতার অভাবে এদিন ৮৪ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের কোনো লেনদেন হয়নি। বেশির ভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধি পাওয়ায় প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ৬২৬৯ পয়েন্টে উঠেছে। এ নিয়ে টানা তিন দিনে সূচক বেড়েছে পৌনে ৪০ পয়েন্ট। অবশ্য এর আগের
তিন দিনে টানা সূচক কমে ৩৩ পয়েন্ট। সূচকের ওঠানামায় বীমা খাতের অবদানই বেশি। গত দুই সপ্তাহের লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১ অক্টোবর বেশির ভাগ বীমার শেয়ার দর হারালেও পরের দিন দর বাড়ে প্রায় সব কোম্পানির। এর পরদিন ৩ অক্টোবর দর হারায় এ খাতের শেয়ার।
শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্টরা জানান, অন্য যে কোনো খাতের চেয়ে ফ্লোর প্রাইসের বেশি দরে কেনাবেচা হওয়া শেয়ার বীমা খাতে বেশি। ক্রেতা শূন্যতার কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অন্য শেয়ারে আগ্রহ কম। ফলে ঘুরেফিরে বীমার শেয়ারদরই বাড়ছে-কমছে। বীমার বাইরে সি-পার্ল হোটেল,
ফু-ওয়াং ফুড, খান ব্রাদার্স পিপি, ইয়াকিন পলিমার, লাফার্জ-হোলসিম সিমেন্ট, জেমিনি সী ফুড, সোনালি পেপার, এমারেল্ড অয়েলসহ অন্য খাতের কিছু শেয়ারের দর ওঠানামা করছে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারের দর বাড়লেও গতকাল ডিএসইর সার্বিক শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ ১২
কোটি টাকা কমেছে। কেনাবেচা হয়েছে ৪১৮ কোটি ৩০ লাখ টাকার শেয়ার। সর্বাধিক ১১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে বীমা খাতে, যা মোট লেনদেনের সাড়ে ২৬ শতাংশ এবং খাতওয়ারি লেনদেনের সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৭ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা
হয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে, যা মোট লেনদেনের সাড়ে ১৮ শতাংশ। একক কোম্পানি হিসেবে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে দরবৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে ছিল ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স এবং ন্যাশনাল ফিড মিলস। একক কোম্পানি হিসেবে ২৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকার লেনদেন নিয়ে শীর্ষে ছিল ফু-ওয়াং ফুড।

আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2020 Lightnewsbd

Developer Design Host BD