করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবেলায় কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (সিএমএসএমই) জন্য সরকার যে ২০ হাজার কোটি টাকার চলতি মূলধন দেয়ার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, এর অর্ধেক অর্থের জোগান
করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় কৃষকের জন্য প্রণোদনা হিসেবে কৃষি ঋণে সুদের হার কমিয়ে এনেছে সরকার। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ থেকে জারি করা এক সার্কুলার থেকে এ তথ্য জানা যায়।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, করোনার ক্ষতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষ ও অর্থনীতির জন্য ১১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন, যা জিডিপির ৩.৫ শতাংশ।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের প্রতিষ্ঠানসমূহকে তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল বাবদ ঋণ-বিনিয়োগ সুবিধা দেবে। ওই আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের তারল্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ
তৈরি পোশাক কারখানাসহ রফতানিমুখী শিল্পের জন্য ঘোষিত পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের প্রথম কিস্তি দুই হাজার কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ বিভাগ। সোমবার অর্থ বিভাগ এই অর্থ ছাড় দিয়েছে
করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেসব মোটর বিমার মেয়াদ আগামী ২৫ এপ্রিলের মধ্যে শেষ হচ্ছে, কিন্তু নতুনভাবে কেউ তা রিনিউ (নবায়ন) করতে পারছেন না, সেসব পলিসির মেয়াদ কোনো প্রিমিয়াম ছাড়াই
করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক এবং প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য তিন হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস থেকে গঠন করা
করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের অর্থনীতিতেই ধস নেমেছে। এত কিছুর পরও চলতি অর্থবছরে বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় ভালো অবস্থানে থাকবে বাংলাদেশের অর্থনীতি। তবে করোনা বিদায় নিলে আগামী অর্থবছরই (২০২০-২১)
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির সময়ে দেশের সব ব্যাংকে লেনদেনের সময় আবারও কমিয়ে আনা হয়েছে। সীমিত আকারের ব্যাংকিং সেবার আওতায় যেসব ব্যাংক শাখা খোলা রয়েছে, সেগুলোতে আগামী ১২
করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই প্যাকেজ থেকে উৎপাদনের ন্যূনতম ৮০ শতাংশ পণ্য রফতানি