বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে জুলাই মাসে প্রবাসীরা দেশে ২৬০ কোটি মার্কিন ডলারের রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর আগে কোনো একক মাসে এত রেমিট্যান্স কখনও আসেনি। রেকর্ড রেমিট্যান্সের কারণে ৩০ জুলাই পর্যন্ত
সরকারের নানা শর্ত আর মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটে কমেছে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ। সদ্যসমাপ্ত ২০১৯-২০ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) সঞ্চয়পত্রে নিট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা। যা তার আগের
ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। আর এই ঈদেই দেশে সবচেয়ে বেশি পশুর চামড়া ক্রয়-বিক্রয় হয়। প্রতি ঈদুল আজহায় চামড়া ক্রয়-বিক্রয় জমজমাট হলেও গত বছরসহ
৪৫ লাখ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ২০ দশমিক ২ কোটি ডলার গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। প্রতি ডলার সমান ৮৬ টাকা ধরে টাকায় প্রায় এক হাজার ৭৩৭ কোটি
পানির দরে’ কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি হয়েছে। প্রকারভেদে প্রতিটি গরুর চামড়া ১০০ থেকে ৪০০ টাকা ও ছাগলের চামড়া ১০ টাকায় কেনা হয়েছে। তবে বড় গরুর চামড়া সর্বোচ্চ ৫০০ টাকায় নেয়া
চামড়া সংগ্রহ ও মজুদের সবচেয়ে বড় সুযোগ থাকে ঈদুল আজহায়। প্রতিবারের মতো এবারো পশুর চামড়া সংগ্রহ করছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে ট্যানারি শিল্প নগরী সাভারে সীমিত পরিসরে আসতে শুরু করেছে কোরবানির
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারির কারণে আধুনিক যুগের ইতিহাসে সবচেয়ে গভীর মন্দায় পড়েছে ইউরোপের দেশ স্পেন। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) দেশটির অর্থনীতি ৫ দশমিক ২ শতাংশ সংকুচিত হয়েছিল। আর
ত্যাগের মহিমায় সারাদেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সামর্থ্যবান মুসলমানরা পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে উদযাপন করছেন ঈদ।তবে গত কয়েক বছরের মতো এবারও চামড়ার সঠিক দাম
দেশে চলমান বন্যার প্রভাব, করোনাভাইরাস মহামারি, রপ্তানিতে মন্দা, আড়তদারদের আর্থিক সংকটের কারণে এ বছরও কোরবানির পশুর চামড়ার দরপতন ও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, চলমান করোনাভাইরাস আর বন্যায়
গত দুই কোরবানির ঈদে চামড়া কিনে বড় ধরনের লোকসান গুনেছেন মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা। এবার তাই দেখেশুনে চামড়া কেনার কথা ভাবছেন তারা।এদিকে আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই কোরবানির গরু জবাই শুরু