সব পর্যায়ের মানুষের কাছে ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে চালু হবে ডিজিটাল ব্যাংক। ডিজিটাল ব্যাংকের রূপরেখা ও নীতিমালা প্রণয়ণের কাজ প্রায় শেষ। সব কিছু ঠিক থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংকের আগামী বোর্ড সভায়
চলতি বছরের মে মাসে প্রবাসীরা ১৬৯ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১০৮ টাকা ধরে যার পরিমাণ ১৮ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ
২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের সার্বিক অর্থনীতির জন্য ছয়টি প্রধান চ্যালেঞ্জ শনাক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো- সার্বিকভাবে মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণ, লেনদেনের ভারসাম্য পরিস্থিতি উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা,
সম্পদের সীমাবদ্ধতা, ডলারের তীব্র সংকট ও বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও অর্থমন্ত্রী দেশকে ‘নিরন্তর সুমহান উচ্চতার সর্বোচ্চ শিখরে’ নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন। সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার লক্ষ্য নিয়ে তিনি প্রস্তাবিত বাজেটে
বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩০ বিলিয়ন বা ৩ হাজার কোটি ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দিনের শুরুতে রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৯৯৩ কোটি ডলার। এরপর ব্যাংকগুলোর
দেশের ব্যাংক খাতে টাকার প্রবাহ বা তারল্যের পরিমাণ কমছে। গত ৯ মাসে তারল্য কমেছে ৬৩ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, সাম্প্রতিক সময়গুলোতে ব্যাংক থেকে টাকা বের হয়েছে বেশি,
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধ করায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে আরও ১১৮ কোটি ডলার বা ১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার কমেছে। এতে রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৭৭
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ আরও বাড়বে। সোমবার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দেনা বাবদ ১১৯ কোটি ডলার পরিশোধ করা হবে। এ অর্থ বাদ দিলে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমে
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে সবচেয়ে বড় বাধা সাতটি। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে দুর্নীতি। এরপরেই আছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দিতে আইনের দ্রুত প্রয়োগের অভাব, সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও মাত্রাতিরিক্ত সময়ক্ষেপণ, দুর্বল
চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হারে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ। তবে ভারতের চেয়ে কম হবে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য কয়েকটি দেশের তুলনায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বেশি হবে।