গরম পড়েছে ভালোই। তবুও সংক্রমণের ঠেলায় সর্দি, কাশি, জ্বর কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। বাড়িতে একজন সুস্থ হলে অন্য জন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। গলায় কফ দলা পাকিয়ে থাকছে, বুকের ভিতর ঘড়ঘড়
রাতে ঘুমের ঘোরে পানি তেষ্টা পায় অনেকেরই। মাঝেমাঝেই উঠে পানি খেতে হয়। তাই সুবিধার জন্য খাটের পাশের টেবিলেই পানির গ্লাস রেখে দেন অনেকে। বিছানা থেকে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়। ঘুম
কাজের চাপে বা কম ঘুমোলেই মাথা দপদপ। মাথার বা চোখের চারপাশ জুড়ে যন্ত্রণা। মাইগ্রেন বা সাইনাস থাকলে মাঝেমধ্যেই এমন সমস্যা হয় অনেকেরই। ঠান্ডা লেগে এমনটা হয়ে থাকলে তা নিয়ে চিন্তার
স্তন ক্যান্সার ছাড়াও নারীদের মধে ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে ক্রমশ। ডিম্বশয়ে ক্যান্সার যতটা জটিল রোগ, ঠিক ততটাই ভয়াবহ এর চুপিসাড়ে ছড়িয়ে পড়া। অধিকাংশ নারীই যে লক্ষণগুলো সাধারণ পেটের সমস্যা বা
মেয়েদের পছন্দের পুরুষের সংজ্ঞা এখন আর শুধু ‘টল-ডার্ক-হ্যান্ডসাম’এর মধ্যে আটকে নেই। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ঘন, চাপ দাড়িও। কিন্তু বয়ঃসন্ধির সময় সেই যে গালে হালকা দাড়ির রেখা দেখা দিয়েছিল, চাকরি
সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার হিসেবে মাছের তুলনা মেলা ভার। তার উপর আবার বাঙালির প্রিয় খাবার এটি। তবে রান্নার দায়িত্ব যারা সামলান তারা জানেন যে, মাছ কাটা-ধোয়া ও রান্না কতটা ঝক্কি-ঝামেলার
ডায়েট ও শরীরচর্চায় শরীরের মেদ ঝরিয়ে ফেলতে পারলেও মুখের মেদ কিছুতেই সরতে চায় না। আর মুখ ভারী থাকলে চেহারা দেখতেও কেমন লাগে। মুখের মেদ ঝরিয়ে ফেলা রাতারাতি সম্ভব নয়। তবে
নাক ডাকার সমস্যা রয়েছে অনেকেরই। অবশ্য যার এই সমস্যা রয়েছে, তিনি টের পান না। সেই ডাক যারা শোনেন, তাদের বিরক্তির উদ্রেক হয়। তবে অনেকেই এই নাক ডাকার সমস্যাকে খুব গুরুত্ব
শীতের আমেজ কেটে গিয়েছে অনেকটা। চারপাশে গরমের ভাব। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে অল্পবিস্তর ফ্যান না চালালে চলছে না। গরম পোশাকও বেশি ক্ষণ গায়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তবে শীত কিংবা
প্রস্রাবের নিজস্ব কোনও গন্ধ নেই। হঠাৎ প্রস্রাবে দুর্গন্ধ। এ নিয়ে সতর্ক হওয়া তো দূর, বেশির ভাগই এড়িয়ে চলেন। পানি কম খাওয়ার কারণে হতে পারে অনুমান করেই বিষয়টি নিয়ে ভাবনার পরিসর