শরীরের অন্যতম এক অঙ্গ হলো হার্ট বা হৃদযন্ত্র। অনিয়মিত জীবন যাপন থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এ কারণে ভুগতে হয় হৃদরোগে। শরীরের গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গ
বছরের এই সময়টাতে মটরশুঁটির দেখা মেলে। বিভিন্ন প্রকার সবজি ও রান্নায় ব্যবহার করা হয় এই মটরশুঁটি। এটি বেশ সুস্বাদু। পোলাও, খিচুড়ি, নুডলস, পাস্তা তৈরিতেও ব্যবহার করা হয় মটরশুঁটি। মটরশুঁটির কচুরিও
সস্তা বলে শাককে খুব একটা পাত্তা দিতে চান না অনেকে। এদিকে সেসব শাকে থাকে প্রচুর উপকারিতা। তবে সবাই যে শাক পছন্দ করেন না, এমনও নয়। অনেকে আবার শাকের যেকোনো পদ
নানা কারণেই মাথা ব্যথা হতে পারে। মানসিক চাপ, প্রবল ধকল, রোদে বেশি সময় বাইরে থাকা এগুলো মাথা ব্যথার পরিচিত কারণ। তবে মাথায় যন্ত্রণা হওয়ার পাশাপাশি যদি বমি, ভুলে যাওয়া কিংবা
পুষ্টিগুণে ভরা লাউ এটি খেলে পেট ঠান্ডা থাকে। হজমের সমস্যা হয় না। শরীরের জন্য খুবই উপকারী এই সবজি দিয়ে নানা রকম রান্না সহজেই রেঁধে ফেলা যায়। লাউয়ের পুষ্টিগুণ বেশি থাকলেও
শীত এলে শুরু হয় সবার হাড়কাঁপুনি। বাহারি রঙের শাল, সুয়েটার, জ্যাকেট গায়ে দিয়ে শীত তাড়ানোর সময় এটি। খেয়াল করে দেখবেন, গরমের তুলনায় শীতের পোশাক বেশি রঙচঙা হয়। কখনো কি মনে
শীত মৌসুম চলে এসেছে। রাজধানীতে শীতভাব ততটা অনুভূত না হলেও দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বিশেষ করে গ্রামে এখন বেশ ঠান্ডা। সাধারণত গরমের তুলনায় শীত আরামদায়ক ঋতু। তবে এ সময় বেশ কিছু
ঘুমের মধ্যে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখতে কার না ভালো লাগে? সুন্দর স্বপ্ন দেখলে ঘুম ভাঙার পর মনটাও ভালো থাকে। অপরদিকে দুঃস্বপ্ন দেখলে তো আর কথাই নেই। সাধের ঘুম তো ভাঙেই,
দীর্ঘমেয়াদী ব্যাধি ডায়াবেটিস। যা বর্তমানে প্রতিটি ঘরে ঘরেই দেখা দিচ্ছে। একবার ডায়াবেটিস ধরা পড়লে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়ে ওঠে বেশ কষ্টকর। প্রিডায়াবেটিস হচ্ছে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের পূর্বাবস্থা। অধিকাংশ মানুষেই জানেন
অনেকেরই ধারণা হাত ও পায়ের চামড়া শীতকালে উঠে থাকে। শীতকালে চামড়া ওঠা স্বাভাবিক হলেও বছরজুড়েই যদি হাত ও পায়ের চামড়া ওঠে তাহলে এটি অবশ্যই সমস্যা। কারণ সারা বছর হাত-পায়ের চামড়া